বুধবার , ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আন্তর্জাতিক
  4. খেলা
  5. খেলাধুলা
  6. জাতীয়
  7. তথ্য-প্রযুক্তি
  8. দেশজুড়ে
  9. প্রবাস
  10. প্রাকৃতিক দুর্যোগ
  11. বিনোদন
  12. মতামত
  13. রাজনীতি
  14. লাইফস্টাইল
  15. শিক্ষা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

তজুমদ্দিনে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগী, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জনবল সংকট


সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬ ৩:৫৪ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় প্রতিদিনই বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা। বর্তমানে সরকারি এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে ৪ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি রয়েছেন। গত ২মাসে ৩৯ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়ে ৩৫ জন সুস্থ্য হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। এমন পরিস্থিতিতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেটিতে জনবল সংকটের কারণে প্রত্যাশিত চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন উপজেলাবাসী। উপজেলা সদর ছাড়াও বিভিন্ন চরাঞ্চল থেকে অনেক রোগী চিকিৎসা সেবা নিতে গিয়ে বিপাকে পড়ছেন।

জানা গেছে, উপজেলাসহ মেঘনার বুকে জেগে ওঠা চরাঞ্চলের দেড় লক্ষাধিক মানুষের চিকিৎসাসেবার একমাত্র ভরসা এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি। তবে চরাঞ্চলের জরুরি রোগীকে নদী পথে বহন করার মতো নেই কোনো ব্যবস্থা। বিগত সরকারেরর বরাদ্দকৃত সরকারি একমাত্র নৌ-অ্যাম্বুলেন্সটি বর্তমানে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। বহন করতে পারেনি একজন রোগীও। নৌ-অ্যাম্বুলেন্সটির দিকে তাকালে মনে হয় রাষ্ট্রের টাকা যেন নদীর জলে ভাসিয়ে দেয়া হয়েছে।

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, তজুমদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি শুরু থেকে ৩১ শয্যা দিয়ে কার্যক্রম শুরু করলেও জনবল সংকট তখন থেকেই লেগে রয়েছে। চিকিৎসকের ৩১টি পদের বিপরীতে বর্তমানে রয়েছেন ৮ জন চিকিৎসক। তার মধ্যে ডেঙ্গুর মহামারিতে ২ জন রয়েছেন ছুটিতে। ফার্মাসিষ্টের ২ টি পদ থাকলেও তা বর্তমানে রয়েছে শূন্য। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের হিসাব রক্ষণের পদটিও শূন্য। মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট, রেডিওগ্রাফার ও ল্যাব টেকনোলজিস্টের পদগুলো শূন্য। অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটরের ৩ টি পদ থাকলেও বর্তমানে এর সবগুলোই শূন্য। স্টোর কিপারের ১ টি পদের একটিই শূন্য। স্বাস্থ্য পরিদর্শকের ২ টি পদও শূন্য।। স্বাস্থ্য সহকারী ৩২ টি পদের মধ্যে শূন্য ৮ টি। অফিস সহায়কের ৪ টি পদের মধ্যে ৩টি শূন্য। বর্তমান সময়ে ডেঙ্গুর প্রকোপ দিন দিন বেড়ে চলছে সে ক্ষেত্রে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অত্যন্ত জরুরি। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিষ্কার পরিছন্নতা কর্মীর ৫ টি পদ থাকলেও ৪ টিই শূন্য থাকায় পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ঠিকঠাক না হওয়ায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি নিজেই ডেঙ্গুর প্রাণকেন্দ্র হয়ে উঠছে। এছাড়া বার্বুচির ২ টি পদও শূন্য । ৩ টি ওয়ার্ড বয়ের পদের বিপরীতে ২টি রয়েছে শূন্য, ফলে একজন করছেন তিন জনের কাজ। সব কিছু মিলিয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি এখন নিজেই রোগীতে পরিণত হয়েছে।

উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা মো. হেলাল উদ্দিন বলেন, আমার ২ বছরের ছেলে মাহাদিকে ডাক্তার দেখানোর জন্য স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিই। তবে চিকিৎসক সংকটের কারণে ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে। এখানে কোনো শিশু বিশেষজ্ঞ না থাকায় উন্নত চিকিৎসার জন্য পাড়ি দিতে হয় জেলা সদর, বরিশাল অথবা রাজধানী ঢাকায়।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভারপ্রাপ্ত আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. দিব্যেন্দু রায় রাজীব জানান, বর্তমানে হাম ও ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। এখন যে পরিমাণ ডাক্তার আছে তাতে চিকিৎসা সেবা প্রদান কিছুটা হলেও কষ্ট সাধ্য। যদি আরও চিকিৎসক পদায়ন করা হয় তবে রোগীদের চিকিৎসাসেবা আরও সুন্দরভাবে দেয়া সম্ভব হবে।

এদিকে শুরু থেকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পদায়ণ না করায় গুরুত্বপূর্ণ অনেক ইউনিট চালু করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ। ফলে এলাকার সাধারণ রোগীরা চিকিৎসাসেবার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বলে দাবি করছেন সচেতন মহল। যার জন্য অধিকাংশ রোগীকে চিকিৎসকরা ভোলা সদর হাসপাতালে রেফার্ড করেন।

এছাড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দেয়ালে রোগীদের সরবরাহের জন্য ওষুধের বিশাল তালিকা টানানো থাকলেও অধিকাংশ ওষুধই সরবরাহ নেই। এক কথায় বলতে গেলে তজুমদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে চিকিৎসক, জনবল ও ওষুধপত্রের সংকটে চিকিৎসাসেবা একেবারেই নাজুক হয়ে পড়ছে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।

📰 ঢাকা ইনফো২৪

দেশ-বিদেশের সর্বশেষ খবর, প্রবাসীদের তথ্য ও গুরুত্বপূর্ণ আপডেট

আরও পড়ুন
`);w.document.close();setTimeout(function () { w.focus(); w.print(); }, 500);});});