ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ সংরক্ষণে ঝালকাঠিতে ২২দিনের নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আগামী ৮অক্টোবর থেকে ২৯অক্টোবর পর্যন্ত ইলিশ আহরণ, পরিবহন, মজুত, বাজারজাতকরণ, ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময় নিষিদ্ধ থাকবে।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৩টায় জেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে ‘মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২৬’ বাস্তবায়নে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব তথ্য জানানো হয়। জেলা মৎস্য অধিদপ্তর এ সভার আয়োজন করে।
সভায় জানানো হয়, নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে জেলার প্রতিটি উপজেলায় সার্বক্ষণিক অভিযান ও নজরদারি পরিচালনা করা হবে। সুগন্ধা ও বিষখালী নদীতে নিয়মিত অভিযান চালানো হবে। অবৈধভাবে ইলিশ আহরণ, পরিবহন ও বিক্রি বন্ধে প্রশাসন, মৎস্য বিভাগ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করবে।
কর্মকর্তারা বলেন, ইলিশ বাংলাদেশের জিআই পণ্য। মা ইলিশ রক্ষা করা গেলে ইলিশের উৎপাদন বাড়বে। তাই নিষেধাজ্ঞার ২২দিন সবাইকে ইলিশ আহরণ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়। সভায় জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. এনামুল হক, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সাইয়্যেদা, সিনিয়র সহকারী পরিচালক প্রণব কুমার বিশ্বাস, সাংবাদিক ও অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, নিষেধাজ্ঞার সময়ে ঝালকাঠির ৪হাজার ২০০জেলেকে ২৫ কেজি করে ভিজিএফের চাল দেওয়া হচ্ছে। এরই মধ্যে চাল বিতরণ শুরু হয়েছে। এ জন্য মোট ১০৫মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ রয়েছে।
জেলা মৎস কর্মকর্তা মো এনামুল হক বলেন, ৮অক্টোবর থেকে ২৯অক্টোবর পর্যন্ত ২২দিন সারা দেশে ইলিশ আহরণ, পরিবহন, মজুত, বাজারজাতকরণ, ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময় সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ এবং দণ্ডনীয় অপরাধ। আইন অমান্য করলে সর্বোচ্চ দুই বছর সশ্রম কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে।