একদিকে তীব্র লোডশেডিং, অন্যদিকে জ্বালানি তেল নিয়ে সংকট। এই দুই সংকটের মাঝে কৃষকদের জন্য আশীর্বাদ হয়ে দাঁড়িয়েছে ডিজেল-বিদ্যুতবিহীন সৌরবিদ্যুৎ চালিত “সোলার সেচ পাম্প”।
এই সেচের মাধ্যমে যেমনি ঝামেলাবিহীন কৃষি জমিতে সেচ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে তেমনি কমেছে সেচ খরচ যার ফলে স্বস্তি ফিরেছে এই “সোলার সেচ পাম্প” এর আওতাধীন কৃষকদের মাঝে। এদিকে ক্রমন্বয়ে উপজেলার কৃষি খ্যাতে আরও সোলার পাম্প স্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএডিসি) উপ-সহকারী প্রকৌশলী আজমানুর রহমান।
বিএডিসি সূত্রে জানা যায়,
আনোয়ারা উপজেলার হাইলধর এবং পরৈকোড়া ইউনিয়নে ১.৫ কিউসেক সোলার এলএলপি সেচ স্কীম স্থাপন করা হয়। যার মধ্যে হাইলধর ইউনিয়নের স্কীমটি চালু হওয়ায় ১০হেক্টর জমি এই “সোলার সেচ পাম্প” এর সুবিধা পাচ্ছে। পরৈকোড়া ইউনিয়নের স্কীমটি চালু হলে আরও ১০হেক্টর জমি এই সেচ পাম্পের সুবিধা পাবে।
হাইলর ইউনিয়নের সাইফুল ইসলাম নামের এক কৃষক জানান, “সোলার সেচ পাম্প” চালু হওয়ার পর থেকে আমাদের চাষের খরচ কমেছে। আগে যেখানে কানি প্রতি ২৫০০-৩০০০ হাজার টাকা সেচ খরচ লাগত এখন তা কমে এসেছে ১৬০০ টাকায়। এই সেচ পাম্প আরও স্থাপন করা হলে সবাই এর সুফল ভোগ করতে পারবে।
হাইলধর ইউনিয়নের স্কীমটির পরিচালক বলেন, এই পাম্পে কোনো ডিজেল এবং বিদ্যুতের ঝামেলা নেই। প্রতিদিন সকাল ০৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত স্কীমটি চালু রাখা হয়। আগে প্রতি কানি ২৫০০ টাকা নিতাম এখন ১৬০০টাকা নিচ্ছি। কৃষকরাও খুশি আমিও ঝামেলামুক্ত স্কীম চালিয়ে ভালো আছি।
এবিষয়ে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) এর উপ-সহকারী প্রকৌশলী আজমানুর রহমান বলেন, আনোয়ারায় দু’টি “সোলার সেচ পাম্প” স্থাপন করা হয়েছে। একটি চালু হয়েছে আরেকটির কাজ চলমান রয়েছে। আগামীতে উপজেলাব্যাপী শ্যালো সোলার পাম্প স্থাপন করা হবে। যার মাধ্যমে কৃষিখাতে খরচ কমে আসবে।
