পঞ্চগড় চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের দোতলায় মামলার হাজিরা দিতে এসে বারান্দায় মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে ময়নুল হক (৫৯) নামের এক আসামিকে। বুধবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। ময়নুল হক জেলার আটোয়ারী উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের বারো আউলিয়া এলাকার বাসিন্দা।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ময়নুল হক জমির একটি মামলার প্রধান আসামি হিসেবে আদালতে হাজিরা দিতে এসেছিলেন। বিচারপতি পরিদর্শনে আসায় আদালত না বসায় তিনি এজলাসের ভেতরে কিছু সময় বসেছিলেন। সেখানে একবার বমি করেন। পরে বাইরে এসে একটি বেঞ্চে বসেন এবং মাথায় হাত দিয়ে শুয়ে পড়েন। দীর্ঘ সময় তার কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে লোকজন কাছে গিয়ে দেখেন তিনি মারা গেছেন।
নিহতের মামলার আইনজীবী সহকারী আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ময়নুল কোনো অসুস্থতার কথা বলেননি। স্বাভাবিকভাবে শুয়ে ছিলেন। পরে বিষয়টি পুলিশ ও তার পরিবারকে জানানো হয়।
চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা দীপেন্দ্রনাথ সিংহ জানান, লাঞ্চে যাওয়ার সময় তাকে ডাকার চেষ্টা করা হয়। পরে লোকজন কাছে গিয়ে দেখেন তিনি মারা গেছেন।
ময়নুল হকের ভাতিজা ফয়সাল কবির বলেন, তার চাচার তেমন কোনো অসুখ ছিল না। তিনি নিজেই মোটরসাইকেল চালিয়ে আদালতে এসেছিলেন। বেশ কয়েকটি মামলা চলমান ছিল। হঠাৎ তারা খবর পান তিনি মারা গেছেন।
পঞ্চগড় আদালতের পরিদর্শক খান মো. শাহরিয়ার বলেন, ময়নুল হক বেঞ্চে শুয়ে ছিলেন। তার সাড়াশব্দ না পেয়ে তাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়।
পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. সুমন কুমার বণিক জানান, ওই ব্যক্তিকে হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। তবে মৃত্যুর কারণ স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন হলে বিস্তারিত বলা সম্ভব হবে।
সালাউদ্দিন/সাএ