রাজবাড়ীর কালুখালীত হাওলাতি টাকা দিত না পারায় জামায়াত ইসলামীর কর্মী আশাদুল ইসলাম (২২) কে হত্যার পর মরদহ আগুন ধরিয়ে হয়। এ মামলার রহস্য উদঘাটন ও ৩ জন আসামীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আশাদুল কালুখালী উপজলার বিল মানুষমারী গ্রামের শাহজাহান মন্ডলের ছেলে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন , কালুখালী উপজলার মদাপুর গ্রামের কাউসার শেখের ছেলে মো: মিজান শেখ (২৪), পশ্চিম রতনদিয়া গ্রামের আসমত মন্ডলের ছেলে মো: আনোয়ার মন্ডল (৪৪), সুর্য্যদিয়া গ্রামর শাহাজউদ্দিনের ছেলে আব্দুল করিম মাল্লা (৩৫)।
গত সোমবার (১৫ জুন) সকাল সাড় ৭ টার সময় কালুখালী থানার মদাপুর ইউনিয়নের সূর্য্যদিয়া মাদ্রাসার পিছনের পাট খেত থেকে আশাদুল ইসলামের (২২) অগ্নিদগ্ধ মরদেহ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় আশাদুল ইসলামর বাবা শাহজাহান মন্ডল বাদী হয় সোমবার কালুখালী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এরই প্রক্ষিত কালুখালী থানা পুলিশ ও রাজবাড়ী জেলা গোয়েন্দা শাখা নিবিড়ভাবে মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান রাখে।
তদন্তকালে জানা যায়, আসামী মিজান শেখের কাছ থেকে আশাদুল ইসলাম ৪ মাস আগে ৬৮ হাজার টাকা ধার নেয়। সময়মত ধারের টাকা পরিশোধ করতে না পারায় পূর্ব থেকেই তাদের মধ্যে বিরোধ চলমান ছিল। এরই প্রক্ষিত পূর্বপরিকল্পিতভাব আসামী মিজান শেখ ও তার সহযোগীরা মিলে আশাদুল কে হত্যা করাসহ মরদেহে আগুন লাগিয় দেয়।
রাজবাড়ীর সহকারী পুলিশ সুপার (পাংশা সার্কল) দেবব্রত সরকারের নেতৃত্বে কালুখালী থানা পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা শাখার একটি চকস টিম মঙ্গলবার (১৬ জুন) যৌথ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে হত্যার সাথে জড়িত থাকায় মো: মিজান শখ, মো: আনায়ার মন্ডল ও মো: আব্দুল করিম মোল্লা কে গ্রপ্তার করা হয়।
রাজবাড়ী অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) মো: শামসুল হক বলন, মঙ্গলবার গ্রেপ্তারকৃত ৩ জন আসামীক আদালত প্ররণ করা হয়েছে। অন্যান্য অজ্ঞাতনামা আসামীদর সনাক্ত পূর্বক গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে।গ্রেফতারকৃত আসামিরা ১৬৪ ধারা মাতাবেক স্বীকারাক্তিমূলক জবানবদি প্রদান করছন। এসময় হত্যাকান্ডের ঘটনায় ব্যবহৃত ১টি মাটরসাইকল, ১টি রক্তমাখা হেলমট, ১টি এসএস পাইপ (রড) ও ১টি লাহার ফাল্ডিং স্টিক উদ্ধার করা হয়েছে।
রোহান/সা.এ.