ভিডিওতে নারী শ্রমিকদের বলতে শোনা যায়, কারখানার ভেতরে ‘পেত্নী-জিন’ রয়েছে। কেউ চিৎকার করে অন্যদের ভেতরে না যাওয়ার জন্য সতর্ক করছেন, আবার কেউ দাবি করছেন, ‘পেত্নীর সঙ্গে দেখা হয়েছে।’ এ সময় অনেক শ্রমিককে চরম আতঙ্কে ছোটাছুটি করতে দেখা যায়।
ভিডিওধারণকারী এসকে আজাদ নামের এক ব্যক্তি জানান, আমি দেখি ইপিজেডের ভেতর থেকে শতাধিক নারী ‘ভেতরে জিন আছে’ বলে চিৎকার করতে করতে দৌড়ে বের হচ্ছেন। তখন আমি ভিডিও করি। পরে এক শ্রমিক আমাকে বলেন, ঘটনা সত্য, ভেতরে পেত্নী আছে।
রুবেল হোসাইন নামের এক শ্রমিক বলেন, আজকের ঘটনাটি আমার চোখের সামনেই ঘটেছে। জিনের আছড় হওয়ার পর কয়েকজন চিৎকার শুরু করলে আমরাসহ বাকি সবাই ভয়ে কারখানা থেকে বের হয়ে যাই।
হালিমা আক্তার নামের এক নারী বলেন, ঘটনাটি সত্যি। কিছুদিন আগে এক লোককে মেরে ফেলা হয়েছে, যার পিঠে ও হাতে অসংখ্য দাগ ছিল। তার বাসা চর্থা এলাকায়।
এদিকে তানজিনা নামের অপর একজন দাবি করেন, দুপুর ১২টার দিকে তিন নারীকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (কুমেক) সপ্তমতলার মেডিসিন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। তাদের আচরণ এতটাই অস্বাভাবিক ছিল যে ঘুমের ওষুধ দিয়েও শান্ত করা যায়নি।
এ বিষয়ে ব্র্যান্ডিক্স কোম্পানির ম্যানেজার শাহজাহানের মন্তব্য জানতে চাওয়া হলে তিনি কোনো কথা বলতে রাজি হননি।
অন্যদিকে কুমিল্লা ইপিজেড ফাঁড়ির ইনচার্জকে (আইসি) একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
কুমিল্লা ইপিজেডের নির্বাহী পরিচালক শফিকুল ইসলাম বলেন, এমন কোনো ঘটনা ঘটেছে কি না তা আমার জানা নেই। তবে বিষয়টি আমি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখছি।