চুয়াডাঙ্গা: চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলা আইসিটি কর্মকর্তা সহকারী প্রোগ্রামার ও মনোহরপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক মাহমুদুর রহমানের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৯ জুন) সকার ১০টার পর জীবননগর উপজেলা আঁশতলাপাড়ার ভাড়া বাড়ী থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, পারিবারিক কলহের কারণে তিনি আত্মহত্যা
মাহমুদুর রহমান ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলার ঝিটকীপোতা গ্রামের আতাউর রহমানের ছেলে। তিনি স্ত্রী নাসরিন আক্তার ও এক সন্তানকে নিয়ে জীবননগর পৌর এলাকার আঁশতলাপাড়ায় ভাড়া বাড়ীতে বসবাস করতেন।
জানা গেছে, সকালে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে তার স্ত্রী সন্তানকে নিয়ে বাসার বাইরে চলে যান। পরে মাহমুদুর রহমান নিজ কক্ষের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ করে গলায় ফাঁস দেন। পরে খবর পেয়ে জীবননগর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পারিবারিক বিষয় নিয়ে মাহমুদুর রহমানের সঙ্গে প্রায় স্ত্রী নাসরিন আক্তার ও তার বড় ভাই জাহাঙ্গীর ঝামেলা করত। সম্প্রতি মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেছিলেন নাসরিন আক্তারের পরিবার। পরে মীমাংসা হওয়ায় আবার একসঙ্গে থাকতে শুরু করেন তারা।
এদিন দুপুর ১টার দিকে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে মাহমুদুর রহমানের মরদেহ জীবননগর থানা থেকে ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গায় পাঠানো পর্যন্ত মাহমুদুর রহমানের স্ত্রী বা তার পরিবারের কাউকে থানায় দেখা যায়নি।
মনোহরপুর ইউনিয়ন পরিষদের দফাদার উজ্জল হোসেন বলেন, ‘স্যার খুবই ভালো মানুষ ছিলেন। তবে স্যারের স্ত্রী মানসিকভাবে অত্যাচার করত।
ইউনিয়ন পরিষদের সচিব শাহিন মোল্লা বলেন, তিনি কখনো কারও সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করতেন না।
জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ সোলায়মান সেখ বলেন, ‘খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।’