সোমবার , ১২ অক্টোবর ২০২৬
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আন্তর্জাতিক
  4. খেলা
  5. খেলাধুলা
  6. জাতীয়
  7. তথ্য-প্রযুক্তি
  8. দেশজুড়ে
  9. প্রবাস
  10. প্রাকৃতিক দুর্যোগ
  11. বিনোদন
  12. মতামত
  13. রাজনীতি
  14. লাইফস্টাইল
  15. শিক্ষা

দরকষাকষি করে ঘুষ নেন ভূমি অফিসের কর্মকর্তারা


অক্টোবর ১২, ২০২৬ ৫:৫৪ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ভোলার বোরহানউদ্দিনে সেবা নিতে গিয়ে অবৈধভাবে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সাচড়া ইউনিয়ন উপ-সহকারি ভূমি কর্মকর্তা বজলুর রহমান ও তার ব্যক্তিগত সহকারি পরিচয় দেওয়া মোঃ রাকিবের বিরুদ্ধে।

অভিযোগ করে সবুজ মোসলমান নামে এক ভুক্তভোগী জানান, গত বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সাচড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে দাগ নম্বর দিয়ে এসএ খতিয়ান খোঁজ করতে যান। এ সময় ওই অফিসের অফিস সহায়ক হিসেবে পরিচয় দেওয়া মো. রাকিব বলে সেটা দেখতে কয়েকদিন সময় লাগবে। অনেক ঝামেলার কাজ। একপর্যায়ে সে বলে কিছু খরচ দিলে দেখে দিতে পারে। পরবর্তীতে সার্চিং ফি হিসেবে তাকে ৩০০ টাকা দিলে মোট ১৮টি খতিয়ানের তথ্য পাওয়া যায়। ওই খতিয়ান পাওয়া যাবে কিনা জানতে চাইলে দেওয়া যাবে বলে জানান এবং রোববার অফিসে যেতে বলেন।

ওইদিন অফিসে গেলে ইউনিয়ন উপ-সহকারি ভূমি কর্মকর্তা বজলুর রহমান বলেন, খতিয়ান দেওয়ার কোনো নিয়ম নেই। কিন্তু প্রতিটি খতিয়ানের জন্য তাকে ২০০ টাকা করে মোট ১৮০০ টাকা দিলে দেয়া যাবে। এ নিয়ে দরকষাকষির একপর্যায়ে ১৫০০ টাকা দাবি করেন তিনি। পরবর্তীতে ১০০০ টাকা দিলে অফিস সহায়ক রাকিব খতিয়ানের নথির ছবি তুলে কম্পিউটারের দোকানে পাঠিয়ে সেখান থেকে প্রিন্ট করে আনতে বলেন। পরে কম্পিউটারের দোকান গিয়ে আরো ১০০ টাকা দিয়ে ১৮টির মধ্যে ১৬টি খতিয়ান প্রিন্ট করাতে হয়। বাকি ২টি রেখে দেয়। বাকি ২টির জন্য পুনরায় গেলে তিনি বলেন, আগামী কাল সোমবার আসেন। সোমবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত অপেক্ষা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে ভূমি অফিসের কর্মকর্তারা যে টাকা নিয়েছে তা আদায়ের কোনো রশিদ প্রদান করেনি। তিনি আরো জানান, শুধু আমি না আমার মতো সেবা প্রত্যাশী আরো অনেকেই টাকা দিয়ে সেবা নেন। দীর্ঘদিন ধরে খাজনা, খতিয়ান ও নামজারীর নামে অতিরিক্ত টাকা আদায়েরও অভিযোগ রয়েছে ওই অফিসের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে।

সোমবার (১২ অক্টোবর) সকাল ১০টার পর ওই অফিসে গেলে দুপুর পর্যন্ত অপেক্ষা করেও তাকে না পেয়ে তার মুঠোফোনে অনেকবার কল দেওয়া হলে তা বন্ধ পাওয়া যায়। তবে এক ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, এটা দেওয়ার কোনো এখতিয়ার আমাদের নাই। এটা রেকর্ড রুম থেকে সই মোহর আনতে হবে। আমরা আপনাদের সহযোগিতার জন্য মাঝে মধ্যে দিয়া থাকি। ভাই আপনার ওই আঠারশো টাকাই দিতে হবে। পরে তিনি পনেরোশ টাকা দাবি করেন।

ব্যক্তিগত সহকারি পরিচয় দেওয়া মো. রাকিব জানান, আমি স্থায়ী কোনো পদে চাকরি করে না। অফিসের কাজে ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারি কর্মকর্তা বজলুর রহমান স্যার আমাকে তার ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে কাজ করান। কাজের ক্ষেত্রে অনেকে খুশি হয়ে আমাকে যা দেয় তাই রাখি। কারো কাছ থেকে অতিরিক্ত কোনো টাকা রাখি না। অভিযোগকারীর ব্যাপারে তিনি জানান, আমি ৫০০ টাকা চেয়েছি। তিনি খুশি হয়ে ৩০০ টাকা দিয়েছি। এটা কোনো সরকারি ফি না। স্যার এখনো অফিসে আসে নাই।

এদিকে জমির খাজনা পরিশোধ, নামজারী ও অন্যান্য ক্ষেত্রে সরকারি ফি ব্যতিত অতিরিক্ত ফি নেওয়া, হয়রানি করা ও ওই অফিসের কোনো কর্মকর্তা ঠিক মতো অফিসে আসে না মর্মেও অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। শাহাজল খান নামে সেবা প্রত্যাশী এক ব্যক্তি জানান, জমির দাখিলার আবেদন করে ৫ দিন গিয়েও ওই দায়িত্বরত কোনো কর্মকতাকে পাইনি। পরবর্তীতে সেই কাজ আর করতে পারিনি।

মোস্তাফিজুর রহমান নামে আরেক ভুক্তভোগী জানান, আমি বিআরএস খতিয়ান আসছে কিনা সেটা জানতে বেশ কয়েকবার তাদের অফিসে গিয়ে কোনো সুরহা পাইনি। পরবর্তীতে জেলা রেকর্ড অফিসে গিয়ে সমাধান করতে হয়েছে।

এ ব্যাপারে জানতে বোরহানউদ্দিন উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনোরঞ্জন বর্মন ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রিফাত হোসেনকে মুঠোফোনে কল করলে তারা মিটিংয়ে আছেন বলে ফোন কেটে দেন। পরবর্তীতে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও তারা আর রিসিভ করেননি।

Scale Your Newsportal

Blazing-fast frontend, robust backend & ad monetization ready.

Scale Your Newsportal

Blazing-fast frontend, robust backend & ad monetization ready.

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।

📰 ঢাকা ইনফো২৪

দেশ-বিদেশের সর্বশেষ খবর, প্রবাসীদের তথ্য ও গুরুত্বপূর্ণ আপডেট

আরও পড়ুন
`);w.document.close();setTimeout(function () { w.focus(); w.print(); }, 500);});});