বুধবার , ৭ অক্টোবর ২০২৬
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আন্তর্জাতিক
  4. খেলা
  5. খেলাধুলা
  6. জাতীয়
  7. তথ্য-প্রযুক্তি
  8. দেশজুড়ে
  9. প্রবাস
  10. প্রাকৃতিক দুর্যোগ
  11. বিনোদন
  12. মতামত
  13. রাজনীতি
  14. লাইফস্টাইল
  15. শিক্ষা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

নিখোঁজের ৩ দিন পর ধনু নদীতে ভেসে উঠল অরুণ দাসের মর*দেহ


অক্টোবর ৭, ২০২৬ ৩:৫৪ অপরাহ্ণ
Link Copied!

কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলায় ধনু নদীতে বাল্কহেডের ধাক্কায় নৌকা ডুবে নিখোঁজ হওয়া অরুণ দাস (২২) নামের এক জেলের মরদেহ তিন দিন পর উদ্ধার করেছে নৌ-পুলিশ।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ধনপুর নৌফাঁড়ির ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক জামাল হোসাইন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

জামাল হোসাইন আরও জানান, দুর্ঘটনায় জড়িত বাল্কহেডটি জব্দ করা হয়েছে এবং এতে থাকা পাঁচ কর্মীকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

আজ বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার ধনপুর ইউনিয়নের বাকসাই-শিলুন্দিয়ার মধ্যবর্তী নতুন খাল থেকে তাঁর মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত অরুণ দাস ধনপুর ইউনিয়নের ঠাকুরহাটি গ্রামের কানু দাসের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার দুপুরে অরুণ দাস ও তাঁর বড় ভাই সাগর দাস একটি ছোট নৌকায় বসে ধনু নদীতে মাছ ধরছিলেন। এ সময় বাজিতপুর থেকে সুনামগঞ্জগামী একটি দ্রুতগামী বাল্কহেড তাঁদের নৌকাটিকে সরাসরি ধাক্কা দিলে সেটি ডুবে যায়।

নৌকায় থাকা সাগর দাস সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও অরুণ দাস পানিতে তলিয়ে যান। পরবর্তীতে স্থানীয় বাসিন্দারা অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর কোনো সন্ধান পাননি। নিখোঁজের তিন দিন পর বুধবার সকালে স্থানীয়রা খালে মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেয়।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।

📰 ঢাকা ইনফো২৪

দেশ-বিদেশের সর্বশেষ খবর, প্রবাসীদের তথ্য ও গুরুত্বপূর্ণ আপডেট

আরও পড়ুন
`);w.document.close();setTimeout(function () { w.focus(); w.print(); }, 500);});});