পাবনার ফরিদপুরে কিশোর সাকিব (১৩)হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে সোমবার(১৪ সেপ্টেম্বর) রাতে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত যুবকের নাম ইমন (২৫)। সে রতনপুর গ্রামের সাইফুল ইসলামের ছেলে। তার দেওয়া তথ্যমতে ছিনতাই হওয়া ব্যাটারিচালিত অটোভ্যানটি উদ্ধার করেছে পুলিশ।
নিহত সাকিবের বাবা মো. হারিজ উদ্দিন (৩৬) অভিযোগ জানান. তার ছেলেকে হত্যা করে মরদেহ নদীর তীরে ফেলে রেখে তার চালিত অটোভ্যানটি নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় তিনি রোববার( ১৩ সেপ্টেম্বর) ফরিদপুর থানায় মামলা করেন।
মামলার তদন্তে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ইমন (২৫) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ছিনিয়ে নেওয়া ব্যাটারিচালিত অটোভ্যানটি উদ্ধার করা হয়।
ফরিদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনজুরুল আলম মাসুদ রোসোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাতে জানান, হত্যাকান্ডের পরেই পুলিশ তদন্তে নামে। এ ঘটনায় ইমনকে গ্রেপ্তার করার পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। তাকে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
তিনি আরও জানান, এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে পুলিশের তদন্ত অব্যাহত আছে।
উল্লেখ্য,রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার ডেমরা ইউনিয়নের মাজাট গ্রামের বড়াল নদীর তীর থেকে সাকিবের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এর আগে সকালে ভ্যান নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে সে নিখোঁজ হয়েছিল। ব্যাটারিচালিত অটোভ্যানটি ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যেই দুর্বৃত্তরা সাকিবের মাথায় গুরুতর আঘাত করে তাকে হত্যা করে মরদেহ নদীতে ফেলে দিয়েছিল।