পেশাগত দক্ষতা, কর্তব্যনিষ্ঠা, সাহসিকতা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও জনসেবায় গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম)-সেবা পেয়েছেন গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহ। একই ক্যাটাগরিতে আরও ১৭ জন পুলিশ সদস্য এ পদকে ভূষিত হয়েছেন।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পুলিশ-২ শাখা থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এতে সই করেন উপসচিব নাসরিন সুলতানা।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের ১ মার্চ থেকে ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময়ে সাহস ও বীরত্ব প্রদর্শন, সেবায় অনন্য নজির স্থাপন, গুরুত্বপূর্ণ ও চাঞ্চল্যকর মামলার তদন্ত এবং উদ্ভাবনীমূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে চারটি ক্যাটাগরিতে মোট ৯২ জন পুলিশ সদস্যকে পদক দেওয়া হয়েছে।
এর মধ্যে বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম) পেয়েছেন ১২ জন, বিপিএম-সেবা ১৮ জন, প্রেসিডেন্ট পুলিশ পদক (পিপিএম) ১৮ জন এবং পিপিএম-সেবা পেয়েছেন ৪৪ জন।
বিপিএম-সেবা পদক পাওয়ার প্রতিক্রিয়ায় গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহ বলেন, “বিপিএম-সেবা পদক অর্জন আমার একার সাফল্য নয়; এটি গোপালগঞ্জ জেলা পুলিশের প্রতিটি সদস্যের সম্মিলিত প্রচেষ্টা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের স্বীকৃতি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা সবসময় আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছি। এই রাষ্ট্রীয় সম্মাননা আমাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ভবিষ্যতেও জনগণের আস্থা অর্জন এবং জনসেবার মানোন্নয়নে গোপালগঞ্জ জেলা পুলিশ নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে কাজ করে যাবে।”
পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহর এ অর্জনে গোপালগঞ্জ জেলা পুলিশের কর্মকর্তা ও সদস্যদের মধ্যে আনন্দ ও উৎসাহ দেখা দিয়েছে। জেলা পুলিশের জন্যও এ পদককে গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
রাষ্ট্রীয় এ সম্মাননা ভবিষ্যতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং জনসেবায় জেলা পুলিশের সদস্যদের আরও দায়িত্বশীল ও পেশাদার ভূমিকা পালনে উৎসাহিত করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।