বুধবার , ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আন্তর্জাতিক
  4. খেলা
  5. খেলাধুলা
  6. জাতীয়
  7. তথ্য-প্রযুক্তি
  8. দেশজুড়ে
  9. প্রবাস
  10. প্রাকৃতিক দুর্যোগ
  11. বিনোদন
  12. মতামত
  13. রাজনীতি
  14. লাইফস্টাইল
  15. শিক্ষা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বেনাপোল বন্দরের দুই শেড ইনচার্জকে ‘ক্লোজ’ করার অভিযোগ


সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬ ২:৩৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দরের ২৯ নম্বর শেড থেকে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে পণ্যবোঝাই তিনটি ট্রাক বেরিয়ে যাওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ পাওয়ার আগেই দুই শেড ইনচার্জকে ‘ক্লোজ’ করার অভিযোগ উঠেছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, ২৯ নম্বর শেডে ৫ ও ৮ সেপ্টেম্বর দুটি পৃথক চালান আসে। এর মধ্যে ৫ সেপ্টেম্বর মেসার্স সাদীয়া এন্টারপ্রাইজের আমদানিকৃত ৪৫৫ প্যাকেজ সিন্থেটিক ফেব্রিক্স বন্দরে আসে। চালানটির ম্যানিফেস্ট নম্বর ৫৪৩৩৮, তারিখ ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ এবং বিল অব এন্ট্রি নম্বর ৬০৬১৪, তারিখ ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬। এর সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ছিল প্রত্যয় ইন্টারন্যাশনাল।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও দাপ্তরিক প্রক্রিয়া শেষে ৮ সেপ্টেম্বর রাতে চালানটি বৈধভাবে খালাস করা হয়। পণ্যটির খালাস মূল্য ছিল ৩৩ লাখ ৩৪ হাজার ৭৪৫ টাকা। বন্দর মাশুল বাবদও অর্থ পরিশোধ করা হয়। পরে যশোর-ট-১১৩১৩৩, ঢাকা মেট্রো-ট-২০৮৩৪৯ এবং ঢাকা মেট্রো-ট-৭৪৭১ নম্বর তিনটি ট্রাকে পণ্যগুলো বন্দর থেকে বের হয়ে যায়। এ সময় সংশ্লিষ্ট চালান ও গেটপাসের আনুষ্ঠানিকতাও সম্পন্ন করা হয়।

অন্যদিকে, ৮ সেপ্টেম্বর একই শেডে ‘সানজিদা ইন্টারন্যাশনাল’ নামের আরেক আমদানিকারকের ৪৪৪ প্যাকেজ, যার ওজন ২২ হাজার ৪ কেজি, সিন্থেটিক ফেব্রিক্সের একটি চালান আসে ভারত থেকে। এ চালানের ম্যানিফেস্ট নম্বর ৫৪৮১১। এর সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টও ছিল প্রত্যয় ইন্টারন্যাশনাল।

তবে সরেজমিন অনুসন্ধানে ২৯ নম্বর শেডে ৪৪৪ প্যাকেজের চালানটি সংরক্ষিত অবস্থায় পাওয়া যায় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। অর্থাৎ বন্দর থেকে বের হওয়া তিনটি ট্রাকে ছিল ৫ সেপ্টেম্বর আসা ৪৫৫ প্যাকেজের চালান, যেটি প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে বৈধভাবে খালাস করা হয়েছিল।

শেডের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর সফিকুল ইসলাম ও রিপন দাস জানান, ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের ভিত্তিতেই বিষয়টি নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে। তাদের দাবি, তথ্যের যথাযথ যাচাই-বাছাইয়ের আগেই শেডের দুই ইনচার্জকে ‘ক্লোজ’ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে বেনাপোল স্থলবন্দরের উপপরিচালক রুহুল আমিন বলেন, সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করে প্রাথমিকভাবে সংশ্লিষ্ট দুজনকে ক্লোজ করা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে বিভাগীয় মামলা করা হবে। তদন্তে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হলে অব্যাহতি দেওয়া হবে।

অন্যদিকে, একই শেডে দায়িত্ব পালন করা কাস্টমসের দুই সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা (এআরও) তরিকুল ও সহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো বড় ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে জানা গেছে। তাদের শুধু জন প্রশাসনে সংযুক্ত করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

স্থানীয় সংশ্লিষ্টদের প্রশ্ন, একটি চালান নিয়ে ভুল তথ্য ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই দুই শেড ইনচার্জের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া কতটা যৌক্তিক। তারা বলছেন, প্রকৃত ঘটনা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের দায়িত্ব ও নথিপত্র যাচাই করে সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।

📰 ঢাকা ইনফো২৪

দেশ-বিদেশের সর্বশেষ খবর, প্রবাসীদের তথ্য ও গুরুত্বপূর্ণ আপডেট

আরও পড়ুন
`);w.document.close();setTimeout(function () { w.focus(); w.print(); }, 500);});});