বুধবার , ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আন্তর্জাতিক
  4. খেলা
  5. খেলাধুলা
  6. জাতীয়
  7. তথ্য-প্রযুক্তি
  8. দেশজুড়ে
  9. প্রবাস
  10. প্রাকৃতিক দুর্যোগ
  11. বিনোদন
  12. মতামত
  13. রাজনীতি
  14. লাইফস্টাইল
  15. শিক্ষা

ব্যালন ডি’অরের সম্ভাবনা লিওনেল মেসির কত শতাংশ


সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬ ৮:৩৯ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

ব্যালন ডি’অরের জন্য ২০২৫ সালের ৩ আগস্ট থেকে ১৯ জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত সময়কালের পারফরম্যান্স বিবেচনা করা হবে। বিশ্ব ফুটবলে সেরা একক সম্মানের এই পুরস্কারে স্বভাবতই ক্লাব মৌসুমের পাশাপাশি বড় প্রভাব ফেলবে বিশ্বকাপ।

আর ঠিক এখানেই তৈরি হয়েছে মূল জট! কারণ, ক্লাব ফুটবলে যারা দ্যুতি ছড়িয়েছেন, বিশ্বকাপে তারা ছিলেন ফিকে। আবার বিশ্বকাপে যারা আলো ছড়িয়েছেন, ক্লাবে তাদের পারফরম্যান্স ছিল নিম্নমুখী। তাছাড়া ব্যালনের জন্য মনোনীতদের থেকে সেরা বাছাই নির্বাচনে ১০০ আন্তর্জাতিক সংবাদিকের ভোটও বিশেষ গুরুত্ব বহন করবে। তাদের প্রদত্ত পয়েন্টেই নির্ধারিত হবে কে উঁচিয়ে ধরবেন বছরের সেরা ফুটবলারের এই কাঙ্ক্ষিত ট্রফি।

খবর অনুযায়ী, রিয়াল মাদ্রিদের সঙ্গে কিলিয়ান এমবাপের চুক্তিতে ব্যালন ডি’অর জিতলে ১ কোটি ৫০ লাখ ইউরোর বোনাস পাওয়ার ধারা রয়েছে। তাই তিনি প্রকাশ্যে নিজের পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছেন, এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। আর তার দাবির পক্ষে শক্তিশালী পরিসংখ্যানও আছে। গত মৌসুমে রিয়ালের হয়ে ৪৪ ম্যাচে এমবাপ্পে করেছেন ৪২ গোল, সঙ্গে করিয়েছেন আরও ৭টি।

বিশ্বকাপ ও তার আগে অনুষ্ঠিত পাঁচটি আন্তর্জাতিক বিরতিতে ফ্রান্সের হয়ে তিনি করেছেন ১৬ গোল। সব মিলিয়ে তার গোলসংখ্যা দাঁড়ায় ৫৮-তে, যা ইউরোপে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ—ম্যানচেস্টার সিটি ও নরওয়ের গোলমেশিন আর্লিং হালান্ডের সমান। রিয়ালের হয়ে সবচেয়ে বড় ম্যাচগুলোর বেশির ভাগেও এমবাপে নিজের ছাপ রেখেছেন। চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে বায়ার্ন মিউনিখের বিপক্ষে দুই লেগেই গোল করেছেন।

লা লিগায় বার্সেলোনা ও আতলেতিকো মাদ্রিদের বিপক্ষেও গোল করেছেন। শেষ পর্যন্ত দুই প্রতিযোগিতাতেই সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছেন। তবে এটাও বলা ন্যায্য যে তিনি অতিরিক্তভাবে নিজের গোলের দিকে মনোযোগী ছিলেন। পেছনে ফিরে রক্ষণে সহায়তা করতে তার অনীহার কারণে রিয়াল প্রায়ই রক্ষণ থেকে আক্রমণে রূপান্তরের সময় বিপদে পড়েছে। অভিষেক মৌসুমের মতো এবারও তিনি বাঁ দিকে সরে গিয়ে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের জায়গা দখল করেছেন।

ফলে পেনাল্টি এলাকায় রিয়াল মাদ্রিদ একজন নির্দিষ্ট আক্রমণভাগের খেলোয়াড়কে হারিয়েছে। বিশ্বকাপে ফ্রান্সের জন্য এমবাপের চেয়ে আর্জেন্টিনার জন্য মেসি গুরুত্বপূর্ণ ছিলেন বেশি। আর এই গুণই তাকে আটটি ব্যালন ডি’অর এনে দিয়েছে। এমনকি বলা যায়, ২০০৯ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত প্রতিটি বছরই তার এই পুরস্কার জেতা উচিত ছিল। কারণ মাঠে আর্জেন্টিনার এই জাদুকরের সামগ্রিক প্রভাবের ধারেকাছেও কেউ যেতে পারেনি।

আগামী মাসে রেকর্ড বাড়িয়ে নবম ব্যালন জিতলে সেটি হবে বড় চমক। কারণ পুরস্কারের জন্য ভোট দেওয়া প্যানেল ইউরোপের বাইরে ক্লাব ফুটবল খেলার কারণে তাকে পিছিয়ে রাখবে। ব্যালন ডি’অরের বিবেচ্য সময়কালে ইন্টার মায়ামির হয়ে মাত্র ৩০ ম্যাচে মেসির ৫২ গোল ও সহায়তার অবিশ্বাস্য সম্মিলিত সংখ্যা খুব একটা গুরুত্ব পাবে না।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।

📰 ঢাকা ইনফো২৪

দেশ-বিদেশের সর্বশেষ খবর, প্রবাসীদের তথ্য ও গুরুত্বপূর্ণ আপডেট

আরও পড়ুন
`);w.document.close();setTimeout(function () { w.focus(); w.print(); }, 500);});});