বিশেষ করে প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধ ও অনলাইন প্রতারণার ধরন দ্রুত পরিবর্তিত হওয়ায় অপরাধ শনাক্ত, প্রতিরোধ ও দমনে দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। সমঝোতা অনুযায়ী, সীমান্তপারের অপরাধী কর্মকাণ্ড শনাক্ত ও বাধাগ্রস্ত করার পাশাপাশি মানবপাচার, অভিবাসী পাচার, জাল নথি তৈরি ও ব্যবহার এবং পরিচয় চুরির মতো অপরাধের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার সক্ষমতা জোরদার করা হবে।
মালয়েশিয়ার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বলছে, প্রযুক্তি ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে সংঘটিত অপরাধ ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে। এ ধরনের অপরাধ দমনে তথ্য ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতার সমন্বিত ব্যবহার গুরুত্বপূর্ণ। নতুন সহযোগিতা কাঠামোর মাধ্যমে অপরাধ শনাক্তকরণ ও দমনে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সক্ষমতা আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে অনলাইন প্রতারণা, পরিচয় অপব্যবহার এবং ডিজিটাল প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে পরিচালিত অন্যান্য অপরাধ থেকে সাধারণ মানুষকে সুরক্ষা দেওয়ার বিষয়টিও এ সহযোগিতার অন্যতম লক্ষ্য।