উপজেলা শিক্ষা ট্রাস্টের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের উদ্বুদ্ধ করা গেলে আদর্শবান, মানবিক ও কর্মক্ষম মানুষ তৈরি করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার। তিনি বলেন, এ ধরনের মানুষ কখনো সমাজের বোঝা হবে না; বরং দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। শনিবার (১৩ জুন) ধোবাউড়া উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত উপজেলা শিক্ষা ট্রাস্টের শিক্ষা সহায়তার চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ধোবাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোশাররফ হোসাইনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ-১ (হালুয়াঘাট-ধোবাউড়া) আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ সালমান ওমর রুবেল, কর্মসংস্থান ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও সাবেক সচিব ড. এ.এফ.এম. মতিউর রহমান, কর্মসংস্থান ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অরুণ কুমার চৌধুরী, সাবেক অতিরিক্ত সচিব রেভা রানী সাহা এবং ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান।
বিজন কান্তি সরকার বলেন, জেলা প্রশাসকের উদ্যোগে শিক্ষা ট্রাস্ট গঠন এবং এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সহায়তা প্রদান একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ। তিনি আরও বলেন, “সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ হওয়া উচিত মানুষের জন্য। ভালো মানুষ তৈরি করতে পারলে সমাজ ও রাষ্ট্র সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে।” এ ধরনের মহতী উদ্যোগ গ্রহণ করায় তিনি জেলা প্রশাসককে ধন্যবাদ জানান এবং শিক্ষা ট্রাস্টের কার্যক্রমকে আরও বিস্তৃত করতে কর্মসংস্থান ব্যাংকসহ সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে অনুদান প্রদানের আহ্বান জানান।
জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান বলেন, ময়মনসিংহ জেলার প্রতিটি উপজেলায় ‘উপজেলা শিক্ষা ট্রাস্ট’ গঠন করা হয়েছে। এই ট্রাস্টের মাধ্যমে হতদরিদ্র ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা বৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে। তিনি জানান, ধোবাউড়া উপজেলায় এদিন দুইজন শিক্ষার্থীর মাঝে আড়াই হাজার টাকা করে শিক্ষা সহায়তার চেক বিতরণ করা হয়েছে। যেসব শিক্ষার্থীর আর্থিক সংকটের কারণে লেখাপড়া ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, তাদের পাশে শিক্ষা ট্রাস্ট সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। অনুষ্ঠানের শেষে অতিথিবৃন্দ দুই শিক্ষার্থীর হাতে শিক্ষা বৃত্তির আড়াই হাজার টাকার চেক তুলে দেন।
সালাউদ্দিন/সাএ