মঙ্গলবার , ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আন্তর্জাতিক
  4. খেলা
  5. খেলাধুলা
  6. জাতীয়
  7. তথ্য-প্রযুক্তি
  8. দেশজুড়ে
  9. প্রবাস
  10. প্রাকৃতিক দুর্যোগ
  11. বিনোদন
  12. মতামত
  13. রাজনীতি
  14. লাইফস্টাইল
  15. শিক্ষা

সিরাজগঞ্জে এবছর চলনবিলসহ বিভিন্ন এলাকায় অতিথি পাখিদের আগমন


সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ ১১:৩৯ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

ঢাকা, মঙ্গলবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩

ঢাকা, মঙ্গলবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩

এবছর শীতের আগেই চলনবিলসহ সিরাজগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় অতিথি পাখিদের আগমন ঘটতে শুরু করেছে। সাইবেরিয়ার মতো দূরবর্তী অঞ্চলের তীব্র ঠান্ডা ও খাদ্যাভাব এড়াতে পাখিরা তুলনামূলকভাবে অনুকূল পরিবেশের সন্ধানে বাংলাদেশে আসে। এদের আগমনে চলনবিল প্রাকৃতি সৌন্দর্যে ভরে ওঠে। এই দৃশ্য দেখতে দেশের বিভিন্ন এলাকার বিনোদন প্রেমীরা এই সময় এখানে আসে পাখি দেখতে। এ মৌসুমে ইতিমধ্যেই মৎস্য ভান্ডারখ্যাত তাড়াশ চলনবিলে অতিথি পাখির ঝাঁকে ঝাঁকে আগমন ঘটছে। জানা গেছে, চলনবিলের মধ্যদিয়ে প্রবাহিত হয়েছে প্রায় ১৪টি নদী ও ২২টি ছোট-বড় বিল। যদিও অনেকগুলোর অস্থিত্ব এখন আর পাওয়া যাবেনা। এই মৌসুমে পানি এখনও না শুকালেও চলন বিল ও বেলকুছি উপজেলার যমুনা নদীর চর এলাকায় অতিথি পাখি আসতে শুরু করেছে। প্রতিবছর সাধারণত পানি শুকিয়ে গেলে এদের আগমন ঘটে। তবে এছর আগেই যমুনা চর ও চলনবিলে নিজের আহার জোগাতে বক, বালিহাঁস, পানকৌড়ি, শামকৈলসহ বিভিন্ন প্রজাতির অতিথি পাখির ঝাঁকে ঝাঁকে আগমন ঘটছে। এই সকল পাখি জেলার বিভিন্ন মাঠে ও গাছে অবস্থান করে। সকাল থেকেই খাবারের খোজে ভিড় করে বক, বালিচোরা, পানকৈড় রাতচোরাসহ নানা প্রজাতির পাখি। চলনবিলে বিভিন্ন জাতের পাখি দেখতে ভিড় জমাচ্ছে বিভিন্ন শ্রেণীর বিনোদন প্রেমীরা। পাখির আগমনে এক শ্রেণির অসাধু পাখি শিকারি সুযোগে জাল ও খাঁচার মাধ্যমে অতিথি পাখি শিকার করছে। অবাধে পাখি শিকারের ফলে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। পরিবেশবাদী স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন স্বাধীনজীবন-এর প্রতিষ্ঠাতা নির্বাহী পরিচালক মোঃ আব্দুর রাজ্জাক নাছিম বলেন, পাখি প্রকৃতির অলঙ্কার!হরেক রঙের বাহারি পাখিদের ওড়াউড়ি, কিচিরমিচির শব্দের কলতান মুখরিত করে প্রকৃতিক পরিবেশ! ওদের স্বাভাবিক স্বাধীন বিচরণ সত্যি অনন্য! ওদের বাহারী অঙ্গ-ভঙ্গি প্রকৃতির সৌন্দর্য বাড়িয়ে দেয় বহুগুণে!আমাদের মুগ্ধ করে। শীতের কষ্ট সহ অন্যান্য সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে অতিথি পাখিরা সাময়িক সময়ের জন্য হাজার হাজার মাইল পথ পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে আসে বিভিন্ন প্রজাতির অসংখ্য পাখি। যা আমাদের দেশের জন্য আর্শীবাদ স্বরুপ! ওরা অপকারি পোকা- মাকড়, কিট পতঙ্গ খেয়ে আমাদের ফসল রক্ষা করে। রোগাক্রান্ত, দূর্বল মাছ খেয়ে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়ক। পাখিদের বীষ্ঠা ভূমির উর্বরতা শক্তি বৃদ্ধিতে যথেষ্ট ভূমিকা রাখে। কিন্তু কিছু অসাধুরা এ পাখি গুলো বিভিন্ন উপায়ে শিকার করে খায়, বিক্রি করে, এটা কাম্য নয়, কোন ভাবেই মেনে নেয়া যায়না। সরকার বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন ২০১২ পাশ করেছে। সেখানে বলা হয়েছে দেশীয় পাখি সহ অতিথি (পরিযায়ী) পাখি ধরা, আটক, শিকার, বহন, প্রদর্শন ইত্যাদি দণ্ডনীয় অপরাধ। তার পরও আইন উপেক্ষা করে চলে পাখি শিকার। আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর উদাসীনতাই এর জন্য যথেষ্ট দায়ী । এবিষয়ে তাড়াশ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ শর্মিষ্ঠা সেন গুপ্ত বলেন, অতিথি পাখি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় কাজ করে। এরা ফসলের ক্ষতিকারক পোকা খায়। যে কারনে ফসলে কীটনাশক ব্যবহার কম করতে হয় ফলে কৃষকদের ফসল উৎপাদন খরচও কম হয়। এছাড়া এদের বিষ্ঠা জমিতে সার হিসাবে কাজ করে।

ফোন: +৮৮০৯৬১১৪৫১৮৭১

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

ই-মেইল: [email protected]

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।

📰 ঢাকা ইনফো২৪

দেশ-বিদেশের সর্বশেষ খবর, প্রবাসীদের তথ্য ও গুরুত্বপূর্ণ আপডেট

আরও পড়ুন
`);w.document.close();setTimeout(function () { w.focus(); w.print(); }, 500);});});