শনিবার , ২ মে ২০২৬
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আন্তর্জাতিক
  4. খেলাধুলা
  5. জাতীয়
  6. তথ্য-প্রযুক্তি
  7. বিনোদন
  8. মতামত
  9. সর্বশেষ
  10. সারাদেশ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

উপকূলের হতদরিদ্র পরিবারের জন্য সুপেয় পানির ব্যবস্থা করা হবে: পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা ইনফো২৪
মে ২, ২০২৬ ৭:৪৪ অপরাহ্ণ
Link Copied!

জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব ও লবণাক্ততার কারণে মোংলাসহ উপকূলীয় অঞ্চলে তীব্র সুপেয় পানির সংকট নিরসনে হতদরিদ্র ও সুবিধা বঞ্চিত মানুষের জন্য টেকসই পানির ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম এমপি।

শনিবার (২ মে) সকাল ১১টায় মোংলা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে “জলবায়ু বিপর্যয়ের কবল থেকে উপকূলীয় অঞ্চলের সুপেয় পানির সংকট নিরসন” শীর্ষক নাগরিক সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন। উপজেলা প্রশাসন, ক্লাইমেট এ্যাকশন ফোরাম ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা লিডার্স যৌথভাবে এ সংলাপের আয়োজন করে।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. ফাহমিদা খানমের সভাপতিত্বে এবং ক্লাইমেট এ্যাকশন ফোরাম মোংলার সভাপতি পরিবেশ কর্মী মো. নূর আলম শেখের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সংলাপে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাগেরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন এবং জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী জয়ন্ত মল্লিক।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “মোংলাসহ উপকূলের হতদরিদ্র মানুষের জন্য সুপেয় পানির ব্যবস্থা করা আমাদের নির্বাচনী অঙ্গীকার। অচিরেই এ অঞ্চলের মানুষের জন্য নিরাপদ পানির টেকসই সমাধান নিশ্চিত করা হবে।” তিনি বলেন, বর্তমান সরকার ইতোমধ্যে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষি কার্ড, ক্যাপ্টেন কার্ড, খাল খনন এবং ইমাম-মুয়াজ্জিনদের ভাতাসহ নানা সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জেলা পরিষদ প্রশাসক ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন বলেন, জেলা পরিষদের সব পুকুর দখল মুক্ত করে সেগুলোকে সুপেয় পানির আধার হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী জয়ন্ত মল্লিক বলেন, পুকুর খনন, সংরক্ষণ এবং পাইপ লাইনের মাধ্যমে পানি সরবরাহ ব্যবস্থা উপকূলীয় অঞ্চলের জন্য দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই সমাধান হতে পারে।

স্বাগত বক্তব্যে মোংলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন আক্তার সুমী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে লবণাক্ততা এখন উপকূলের প্রধান দুর্যোগে পরিণত হয়েছে। সুপেয় পানির সংকটে এ অঞ্চলের মানুষ চরম দুর্ভোগে রয়েছে। এ সংকট মোকাবেলায় বিশেষ সরকারি বরাদ্দ প্রয়োজন।

সংলাপে উপস্থাপিত তথ্যে জানানো হয়, উপকূলীয় অঞ্চলের প্রায় ৭৩ শতাংশ মানুষ নিরাপদ পানির সুবিধা থেকে বঞ্চিত। প্রায় ৩ কোটি মানুষ নিরাপদ পানি সরবরাহের বাইরে এবং দেড় কোটি মানুষ লবণাক্ত ভূগর্ভস্থ পানি ব্যবহারে বাধ্য। মোংলায় ৬৫ শতাংশ মানুষের নিজস্ব সুপেয় পানির ব্যবস্থা নেই। বাকি ৩৫ শতাংশ মানুষ মূলত বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের ওপর নির্ভরশীল, যা মাত্র কয়েক মাসের চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম।

সংলাপে বক্তারা বাংলাদেশ পানি আইনের ধারা ১৭ অনুযায়ী উপকূলীয় অঞ্চলকে “পানি সংকটাপন্ন এলাকা” ঘোষণা, জলবায়ু ট্রাস্ট ফান্ডের অর্থ ঝুঁকিপূর্ণ উপকূলীয় অঞ্চলে ব্যয়, জেলা পরিষদের পুকুরগুলোকে খাবার পানির উৎস হিসেবে ব্যবহার, পুকুর সংরক্ষণ ও পাইপলাইন প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের জন্য ব্যাপক ট্যাংকি বিতরণের দাবি জানান।

সভাপতির বক্তব্যে অতিরিক্ত সচিব ড. ফাহমিদা খানম বলেন, ভূগর্ভস্থ পানির অতিরিক্ত ব্যবহার পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। তাই স্থানীয় সরকারকে সম্পৃক্ত করে পানির গুণগত মান রক্ষা এবং টেকসই ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে হবে।

সংলাপ শেষে প্রতিমন্ত্রী, জেলা পরিষদ প্রশাসক ও অতিরিক্ত সচিব মোংলা উপজেলার বিভিন্ন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার পানি প্রকল্প পরিদর্শন করেন।




ঢাকা ইনফো২৪

ঢাকা ইনফো ২৪ একটি বহুমুখী তথ্য বাতায়ন যেখানে আপনি পাবেন ব্রেকিং নিউজ, লাইফস্টাইল গাইড এবং ক্যারিয়ার বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ সব আপডেট। আপনার প্রতিদিনের তথ্যের চাহিদা মেটাতে আমরা আছি আপনার পাশে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।