বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার রণবাঘা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মিনহাজুর রহমান হাবিবকে গলায় শ্বাসরোধ করে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে প্রধান শিক্ষক আজমীরি জামান বকুলের বিরুদ্ধে। রোববার (১৭ মে) দুপুরে প্রধান শিক্ষকের কক্ষে এ ঘটনা ঘটে।
রণবাঘা উচ্চ বিদ্যালয়ের পরীক্ষার ফি ও অন্যান্য আয়-ব্যয়ের হিসাব চলাকালে বিপুল পরিমাণ অর্থের গড়মিল দেখা দিলে সহকারী শিক্ষক মিনহাজুর রহমান হাবিব তা ধরে বসেন। তখন সহকারী শিক্ষক মিনহাজুর রহমান হাবিবের সঙ্গে প্রধান শিক্ষক আজমীরি জামান বকুলের প্রথমে কথাকাটাকাটি হয়। পরে প্রধান শিক্ষক আজমীরি জামান বকুল ক্ষিপ্ত হয়ে সহকারী শিক্ষক মিনহাজুর রহমান হাবিবের গলা চেপে ধরে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করেন। তখন উপস্থিত শিক্ষক-কর্মচারীরা এসে তাকে রক্ষা করেন এবং পরিবেশ শান্ত করেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে রণবাঘা উচ্চ বিদ্যালয় এলাকায় টানটান উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
এ বিষয়ে সহকারী শিক্ষক মিনহাজুর রহমান হাবিব বলেন, রণবাঘা উচ্চ বিদ্যালয়ের পরীক্ষার ফি ও আয়-ব্যয়ের হিসাবের গড়মিল ধরে বসলে দুর্নীতিবাজ প্রধান শিক্ষক আজমীরি জামান বকুল ক্ষিপ্ত হয়ে আমার গলা চেপে ধরে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করেন। তখন সহকারী শিক্ষক-কর্মচারীরা এগিয়ে এসে আমাকে রক্ষা করেন। আমি এর ন্যায় বিচার চাই। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। আগামীকাল শিক্ষা অফিসে অভিযোগ দেবো।
প্রধান শিক্ষক আজমীরি জামান বকুলের সঙ্গে কথা বললে তিনি বলেন, রণবাঘা উচ্চ বিদ্যালয়ের আয়-ব্যয়ের হিসাব চলাকালে সহকারী শিক্ষক মিনহাজুর রহমান হাবিবের সঙ্গে কথাকাটাকাটি হয়েছে, কিন্তু আমি তাঁর গলা চেপে ধরে শ্বাসরোধ করিনি। আর আমি কোনো দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত নই। যা হয়েছে তা ভুল বোঝাবুঝি মাত্র।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (অ.দা.) তারিকুল আলমের সঙ্গে কথা বললে তিনি বলেন, ঘটনাটি এখনো আমি শুনিনি। তবে অভিযোগ পেলেই তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।