শেরপুর জেলায় নিয়োগযোগ্য প্রকৃত শূণ্য পদ অনুসারে বিদ্যমান কোটা ও নিয়োগ পদ্ধতি অনুসরণ করে শতভাগ মেধা, যোগ্যতা ও স্বচ্ছতার মাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে নিয়োগ, ফেব্রুয়ারি ২০২৬ এর চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে।
সোমবার (১৮ মে) রাতে শেরপুর পুলিশ লাইন্স মাল্টিপারপাস শেডে আনুষ্ঠানিকভাবে টিআরসি নিয়োগ কার্যক্রমের সকল ইভেন্টে কৃতকার্য প্রার্থীদের লিখিত, মনস্তাত্ত্বিক ও মৌখিক পরীক্ষার প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের নাম এবং ফলাফল ঘোষণা করেন শেরপুর জেলার পুলিশ সুপার ও টিআরসি নিয়োগ বোর্ডের সভাপতি এ, কে, এম জহিরুল ইসলাম।
এ সময় শতভাগ মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে স্বচ্ছতার মাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল পদে প্রাথমিকভাবে নিয়োগ প্রাপ্ত হওয়ায় উত্তীর্ণ প্রার্থী ও অভিভাবক অনেকে আবেগ আপ্লুত হয়ে তাৎক্ষণিক অনুভূতি ব্যক্ত করেন।
অতঃপর পুলিশ সুপার মহোদয় চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের শেরপুর জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও আন্তরিক অভিনন্দন জানান। একই সাথে তিনি উত্তীর্ণ সকলকে সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সাথে দেশসেবার ব্রত নিয়ে বাংলাদেশ পুলিশে কাজ করার আহ্বান জানান।
ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে টিআরসি নিয়োগ বোর্ডের সম্মানিত সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামালপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোরশেদা খাতুন এবং নেত্রকোনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) হাফিজুল ইসলাম।
এছাড়াও শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোঃ মিজানুর রহমান ভূঁঞা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) নাসরিন আক্তার-সহ জেলা পুলিশের অন্যান্য উর্ধ্বতন কর্মকতা, বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, শেরপুর জেলার ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল পদে ২৫ জনের শূন্য পদের বিপরীতে প্রিলিমিনারি স্ক্রিনিং শেষে ২১৯২ জন প্রার্থী শারীরিক পরীক্ষায় অংশ নেন। বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে ৩৯৩ জন লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে এবং লিখিত পরীক্ষায় ৮৫ জন প্রার্থী উত্তীর্ণ হয়ে মৌখিক পরীক্ষার জন্য মনোনীত হন। চূড়ান্ত ভাইভা শেষে ৩ জন নারী ও ২২ জন পুরুষসহ মোট ২৫ জনকে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত করা হয় এবং ৫ জনকে রাখা হয় অপেক্ষমাণ তালিকায়।