
সংগৃহীত ছবি
ইতালির ঐতিহাসিক এবং ক্যানাল শহর ভেনিস থেকে এই মুহূর্তের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খবর । শেষ হলো বহু প্রতীক্ষিত পৌরসভা নির্বাচন। সমস্ত বুথফেরত সমীক্ষাকে সত্যি করে ভেনিসের নতুন মেয়র হিসেবে জয়লাভ করেছেন জননেতা সিমোনে (Simone)!
বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর শহর ইতালি ভেনিসের নবনির্বাচিত এবং সর্বকনিষ্ঠ মেয়র। একজন দয়ালু, বন্ধুত্বপূর্ণ এবং উদ্যমী ব্যক্তিত্ব,যিনি নিঃসন্দেহে সকল বাংলাদেশী নাগরিকের জীবনে একটি অংশ হয়ে থাকবেন। ইউরোপীয় পুরস্কার বিজয়ী,যুব সমাজের একজন সমর্থক এবং আইকন।
সিমোনে বলেন ভেনিসের প্রিয় নাগরিকবৃন্দ, আমার ভাই ও বোনেরা— শুভ সন্ধ্যা আজকের এই জয় শুধু আমার একার নয়, এই জয় ভেনিসের প্রতিটি মানুষের, প্রতিটি জলপথের, প্রতিটি ঐতিহ্যের। আপনারা যারা আজকে ভোট দিয়ে পরিবর্তনকে বেছে নিয়েছেন, আপনাদের সবাইকে আমার বুকভরা ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা।
ভেনতুরিনি ভেনিসের ইতিহাসের সবচেয়ে কম বয়সী মেয়র (বর্তমানে তার বয়স ৩৮ বছর)। তিনি ‘হলুদ’ রঙকে তার নির্বাচনী প্রচারণার থিম হিসেবে বেছে নিয়েছেন, তিনি দীর্ঘ সময় ধরে ভেনিসের পর্যটন এবং সামাজিক সংহতি বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন।
ভেনিস বিশ্বের অন্যতম সুন্দর শহর, কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে আমরা বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলাম— অতিরিক্ত পর্যটন (Over-tourism), পরিবেশ বিপর্যয় এবং স্থানীয় মানুষদের আবাসন সমস্যা। আমি আপনাদের কথা দিচ্ছি:
• আমরা ভেনিসের পরিবেশ এবং ক্যানালগুলোকে রক্ষা করার জন্য দীর্ঘমেয়াদী পরিবেশ বান্ধব পদক্ষেপ নেব।
পর্যটনের পাশাপাশি আমাদের স্থানীয় বাসিন্দাদের জীবনযাত্রার মান উন্নত করা এবং তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান তৈরি করা হবে আমার প্রধান কাজ।
আসুন, আমরা সবাই মিলে একসাথে একটি আধুনিক, সুন্দর এবং টেকসই ভেনিস গড়ে তুলি। সবাইকে ধন্যবাদ), ভেনিস দীর্ঘজীবী হোক।
ভেনিস মেয়র নির্বাচন ভোটের ফলাফল নির্বাচনে সেন্টার-রাইট জোটের প্রার্থী সিমোন ভেন্তুরিনি প্রথম রাউন্ডেই সংখ্যাগরিষ্ঠতা (৫৫,৯০ শতাংশের বেশি ভোট) পেয়ে নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন।
– সেন্টার-লেফট জোট – আন্দ্রেয়া মার্টেলা – প্রধান বিরোধী দল – 37.81%
– মিশেল বোল্ডরিন (ওরা! ভেনিস / ORA! Venezia) – ৩য় স্থান 3.39%
– অন্যান্য স্বতন্ত্র ও ছোট দল – ২.৬%
– মোট ভোটার উপস্থিতি: প্রায় ৫৫.৫%, রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সিমোনে মেয়র পদে জিতলেও সিটি কাউন্সিলে তাকে এই শক্তিশালী বিরোধী দলের মুখোমুখি হতে হবে। ভেনিসের অতিরিক্ত পর্যটন নিয়ন্ত্রণ এবং পরিবেশ রক্ষার মতো বড় ইস্যুগুলোতে নতুন মেয়রকে পদে পদে পরীক্ষার মুখে পড়তে হবে।