বগুড়ার শেরপুরে শেরপুর-ধুনটের মাননীয় সংসদ সদস্য (বগুড়া-৫) গোলাম মো: সিরাজের নির্দেশনায় বিভিন্ন এলাকায় এক বিশেষ মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে ৬ জনকে আটক করেছে পুলিশ। পরে আটককৃতদের ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়ে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২ জুন) দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় শেরপুর থানা পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসন যৌথভাবে এই অভিযান পরিচালনা করে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণার অংশ হিসেবে এই অভিযান চালানো হয়। শেরপুর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদুর রহমান ও শেরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জয়নুল আবেদীনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম খামারকান্দি ইউনিয়ন, শেরপুর পৌরসভা এবং শাহ বন্দেগী ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে ঝটিকা অভিযান চালায়।
এ সময় মাদক সেবনরত অবস্থায় হাতেনাতে ৬ জনকে আটক করা হয়। পরে আটককৃতদের শেরপুর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদুর রহমানের ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধের গুরুত্ব বিবেচনায় তাদের ১ মাস থেকে ৩ মাস পর্যন্ত বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।
সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন শেরপুর পৌরসভার খন্দকার টোলা এলাকার লিটন উদ্দিনের ছেলে আব্দুর রহমান সাব্বির (৩২), খন্দকার পাড়ার মৃত তোজাম্মেল হকের ছেলে তুষার খন্দকার (৪২), একই এলাকার আবু তাহেরের ছেলে মুকুল হাসান (২৮), শ্রীরামপুর পাড়ার পিন্টু সরকারের ছেলে তন্ময় সরকার (২৬), শেরুয়া বটতলা এলাকার নুরুল ইসলামের ছেলে জাহিদুল ইসলাম টিক্কা (৪০), খামারকান্দি ইউনিয়নের ঝাজর গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে রুমেল (২৮)।
শেরপুর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদুর রহমান বলেন, এলাকায় মাদক নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত এ ধরনের আকস্মিক অভিযান অব্যাহত থাকবে। এ বিষয়ে শেরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জয়নুল আবেদীন বলেন, সাজাপ্রাপ্তদের রাতেই বগুড়া জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
কুশল/সাএ