সারাদেশের ন্যায় বগুড়ার নন্দীগ্রামে পাম্পগুলোতে জ্বালানি তেল সংকটে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে যানবাহন মালিক ও চালকদের। অধিকাংশ পাম্পে নিয়মিত তেল পাওয়া যাচ্ছে না। আর যেসব পাম্পে তেল আছে সেখানে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে অপেক্ষার পর চাহিদা মতো তেল মিলছে না। এ সংকট থেকে উত্তরণের জন্য তেল বিক্রির সীমা ও সরবরাহ বাড়ানোর দাবি সকলের।
শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে নন্দীগ্রাম ফিলিং স্টেশনে সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে, জ্বালানি তেল পাওয়ার জন্য শত শত মোটরসাইকেল চালকরা তীব্র রোদ-গরম উপেক্ষা করে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে রয়েছে। মাইকিং করে মোটরসাইকেলের সরি ঠিক করে নিচ্ছে পাম্পাম কর্তৃপক্ষ।
প্রখর রোদ ও গরমের কারনে মোটরসাইকেল চালকদের শরীর ঘেমে জামাকাপড় ভিজে ঘাম ঝড়ে পরছে মাটিতে। গরম সহ্য করতে না পেরে অনেকে তেল না নিয়েই চলে যাচ্ছে। আর যারা তেল পাচ্ছেন তাঁর নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করছেন।
বাইক চালক আকাশ বলেন, তেল পাওয়াতো সোনার হরিণ পাওয়ার মতো মনে হচ্ছে। টাকা দিয়ে তেল কেনার জন্য ঘন্টার পর ঘন্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে চাহিদা মতো তেল পাওয়া যাচ্ছে না। আমি দুই ঘন্টার বেশি সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে ২শ টাকার তেল পেয়েছি। আজকের যে রোদ ও গরম এই লাইনে এত সময় দাঁড়িয়ে থেকে মানুষ অসুস্থ হয়ে পরবে। সরকারের এই সমস্যার সমাধান খুব দ্রুত করা উচিত।
নন্দীগ্রাম ফিলিং স্টেশনে স্বত্বাধিকারী কুতুব উদ্দিন সরদার বলেন, তেল যতখন আমাদের কাছে থাকে ততখন বিক্রি করছি। না থাকলেতো দিতে পারবো না। সবাই যেন তেল পায় এজন্য ছোট মোটরসাইকেলে ২শ আর বড় মোটরসাইকেলে ৫শ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রোহান সরকার বলেন, নন্দীগ্রাম উপজেলায় চারটি ফিলিং স্টেশনের মধ্যে কাগজপত্রের জটিলতায় একটি বন্ধ আছে। বাঁকি তিনটিতে জ্বালানি তেল পাওয়া যাচ্ছে। জ্বালানি তেল মজুদ ও কালোবাজারি রোধে উপজেলা প্রসাশনের পক্ষ থেকে নিয়মিত তদাররি করা হচ্ছে। ইতিপূর্বে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে কয়েকজনকে জরিমানা করা হয়েছে।
