মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে জাতির শ্রেষ্ঠ অর্জনের তাৎপর্য তুলে ধরা এবং গণতন্ত্র ও সাংস্কৃতিক চেতনা জাগ্রত করার লক্ষ্যে এক আলোচনা সভা ও প্রতিবাদী সংগীত অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বাউল দল কেন্দ্রীয় কমিটি।
শনিবার (৪ এপ্রিল) সকালে রাজধানী ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবের আবদুস সালাম মিলনায়তনে বক্তারা সাংস্কৃতিক চর্চার নামে নগ্নতা ও অপসংস্কৃতির বিস্তার রোধ করতে সবাইকে আহ্বান করেন।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বাউল দল কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক প্রখ্যাত গীতিকার ও সুরকার, সুফি সাধক জনাব আরিফ দেওয়ানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম, মাননীয় প্রশাসক, দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন, ঢাকা এবং বিএনপি’র মাননীয় চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা।
বিশেষ অতিথিবৃন্দরা হলেন চিত্রনায়ক হেলাল খান, আহ্বায়ক, জাতীয় নির্বাহী কমিটি, জাসাস। মো. রফিকুল ইসলাম রফিক, মহাসচিব, জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক জোট ও যুগ্ম আহ্বায়ক, জাসাস জাতীয় নির্বাহী কমিটি। জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী মুজিব পরদেশী, সম্মানিত উপদেষ্টা, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বাউল দল। এছাড়া উক্ত অনুষ্ঠানে দেশের বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ, মুক্তিযোদ্ধা, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও শিল্পীদের উপস্থিতিতে স্বাধীনতার চেতনা, গণতন্ত্র ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করা হয়।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন কবি ও গবেষক ইঞ্জিনিয়ার মো. রেজাউল ইসলাম, সদস্য সচিব, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বাউল দল কেন্দ্রীয় কমিটি। প্রতিবাদী এই অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, এদেশের ভাষা সাংস্কৃতি ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সাথে ওতোপ্রোতো ভাবে জড়িয়ে আছে বাউল সম্প্রদায়। বর্তমানে কিছুটা কমলেও বিগত বছর গুলোতে প্রায়ই এই শান্তি প্রিয় উদার ধর্মীয় বিশ্বাসের মানুষের উপর আক্রমন করতে দেখা গেছে। ধর্মীয় লেবাসের আড়ালে উগ্রবাদী ধর্মান্ধ মব সন্ত্রাসের দ্বারা আমদের হাজার বছরের লোকসংস্কৃতির যেন কোন ভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সে দিকে দৃষ্টি রাখবার জোড় দাবী রাখছি। পাশাপাশি সাংস্কৃতিক চর্চার নামে নগ্নতা বিদেশী অপসংস্কৃতির বিস্তার রোধেও সজাগ থাকতে হবে।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বাউল দলের প্রতিষ্ঠাকালীন সাধারণ সম্পাদক বিশিষ্ট কবি ও গবেষক ইঞ্জিনিয়ার মো. রেজাউল ইসলাম বলেন, ধর্মীয় ভাবধারার লোক সংগীত রচিত হয়েছে যাদের দ্বারা তারা প্রত্যেকেই উত্তম চরিত্রের উত্তম মানুষ ছিলেন। তাদের সৃষ্টি করা সংগীতের নামে যেন কোন চরিত্রহীন লম্পটরা এঅঙ্গনে এসে গুরমুখী ধরার বদনাম না করতে পারে সে বিষয়ে দৃষ্টি রাখা প্রয়োজন।
