শেরপুর জেলার সদর উপজেলার বাজিতখিলা ইউনিয়নের মির্জাপুর গ্রামে জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষ মরিয়ম আক্তার মৌসুমী গংদের মিথ্যা ও ভিত্তিহীন সংবাদ সম্মেলন করার অভিযোগ ও প্রতিবাদ জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ সোহাগ মিয়া।০৫ এপ্রিল রোববার দুপুরে মির্জাপুর গ্রামে তার নিজ বাড়ীতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মোঃ সোহাগ মিয়া জানান, তিনি জন্মের পর থেকে পরিবারসহ ওই গ্রামে বসবাস করে আসছেন এবং দীর্ঘদিন ধরে তাদের পরিবার একটি নির্দিষ্ট জমির বৈধ মালিকানা ও ভোগদখলে রয়েছেন।
এসময় তিনি উপস্থিত সাংবাদিকদের সম্মুখে লিখিত বক্তব্য পাঠ করে বলেন, ১৯৬৯ সালে তার পিতা মরহুম মকবুল হোসেন প্রতিবেশী মরহুম রজব আলীর কাছ থেকে প্রায় পৌনে চার শতাংশ জমি ক্রয় করেন এবং ২০০৩ সাল পর্যন্ত উক্ত জমির দখল তাদের কাছেই ছিল।
কিন্তু ২০০৩ সালে ভুল রেকর্ডের ভিত্তিতে তার জ্যেঠাতো ভাইয়েরা ছয় শতাংশ জমি মৃত মফিজুল হক মাস্টারের কাছে বিক্রি করেন, যা তাদের বাড়ি ভিটার অংশ বলে দাবি করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও অভিযোগ করেন, ২০০৪ সালে প্রতিপক্ষ মরিয়ম আক্তার মৌসুমী গংরা পেশিশক্তি ও আর্থিক প্রভাব খাটিয়ে তাদের ক্রয়কৃত জমির সংলগ্ন তার পিতার জমির উপর জোরপূর্বক ঘর নির্মাণ করেন এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন সময় মিথ্যা মামলা দিয়ে তাদের হয়রানি করা হয় বলেও এমনটাই অভিযোগ করেন। যদিও এক পর্যায়ে মামলার রায় তাদের পক্ষে আসে, তবুও এখনো তারা ওই জমির ভোগদখল থেকে বঞ্চিত রয়েছেন বলে সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেন।
সম্প্রতি প্রতিপক্ষ মরিয়ম আক্তার মৌসুমী, লাবনী, লাইজুসহ তাদের পরিবারের সদস্যরা সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তার ও তাদের পরিবারের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ উত্থাপন করেছেন বলে অভিযোগ করেন সোহাগ মিয়া। তিনি বলেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ড তাদের সামাজিক মান-মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করেছে।
এমতাবস্থায় তিনি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে প্রশাসনের কাছে বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে সুষ্ঠু সমাধানের আহ্বান জানান এবং তার ও তাদের পরিবারের বিরুদ্ধে আনীত সকল অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন। এছাড়াও তিনি শান্তিপূর্ণভাবে সমস্যার সমাধান কামনা করেন এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এসময় সংবাদ সম্মেলনে শেরপুর জেলা শহরের প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
