ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী দেশটির জানযান প্রদেশে তিনটি মার্কিন ব্লাংকার-ব্লাস্টার বোমা ধ্বংস ও ৯ হাজার ৫০০ বোমার ক্ষুদ্র অংশ বা ভগ্নাংশ নিষ্ক্রিয় করেছে।
ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি’র বিশেষ বাহিনী মাটির খুব গভীরে প্রবেশে সক্ষম মার্কিন (GBU-57) জিবিইউ-৫৭ মডেলের তিনটি ব্লাংকার ব্লাস্টার বোমা ধ্বংস ও আরও একটিকে নিষ্ক্রিয় করেছে। সাম্প্রতিক যুদ্ধের সময় দেশটির জানযান প্রদেশে এইসব বোমা ফেলা হয়েছিল।
(GBU-57) জিবিইউ-৫৭ মডেলের মার্কিন বোমা বিশ্বের সবচেয়ে বড় অপারমাণবিক বোমা যেগুলোর প্রতিটিতে থাকে ত্রিশ হাজার পাউন্ড বিস্ফোরক অস্ত্র এবং এগুলো মাটির গভীরে থাকা বেশ শক্ত আস্তরণ বা ছাদযুক্ত স্থাপনা ধ্বংস করতে সক্ষম।
এ ছাড়াও আইআরজিসি’র বিশেষ টিম নয় হাজার ৫০০’রও বেশি ক্ষুদ্র বোমা বা বোমার ভগ্নাংশ উদ্ধার করে সেগুলো নিষ্ক্রিয় করেছে এই একই প্রদেশে। শত্রু পক্ষের জঙ্গিবিমানগুলো থেকে নিক্ষেপ করা হয়েছিল এইসব বোমা। এ ছাড়াও তারা বেশ কিছু ক্ষেপণাস্ত্র ও রকেট নিষ্ক্রিয় করেছে যেগুলো নিক্ষেপ করা হয়েছিল এফ-১৫, এফ-১৬ এবং এফ-৩৫ জঙ্গি বিমান থেকে, কিন্তু সেগুলো বিস্ফোরিত হয়নি।
আইআরজিসি আজ (রোববার) এইসব তথ্য দিয়েছে। এই বাহিনীর বিবৃতিতে আরও জানানো হয়েছে যে তাদের বিশেষ টিম দু’টি অবিস্ফোরিত ক্রুজ মিসাইল উদ্ধার করেছে যার মধ্যে একটি ছিল (GBU-39) জিবিইউ-৩৯ মডেলের; এই মিসাইলগুলো স্থানীয় আকাশ-প্রতিরক্ষা ব্যাটারিগুলোর মাধ্যমে ভূপাতিত হয়েছিল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পক্ষ থেকে কোনও উস্কানি না থাকা সত্ত্বেও গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর যুদ্ধ শুরু করে দেশটির শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা ও কমান্ডারদের হত্যার মাধ্যমে।
জবাবে ৪০দিন ধরে পাল্টা ১০০টি অভিযান চালায় ইরান। এইসব অভিযানে ইরান বিপুল সংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করে মার্কিন ও ইসরায়েলি সামরিক ঘাঁটি এবং অবস্থানগুলোতে হামলা চালায়।
সূত্র- পার্স টুডে।
