
সংগৃহীত ছবি
আজ বুধবার ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফায় ৭ জেলায় ১৪২টি আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এই দফায় রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একাধিক আসনের ভাগ্য নির্ধারণ হবে।
এ দফায় ভোটের লড়াইয়ে রয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীসহ মন্ত্রী ডা. শশী পাঁজা, ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাস এর মতো একাধিক প্রভাবশালী নেতা।
এই দফার অন্যতম আলোচিত কেন্দ্র হলো কলকাতার ভবানিপুর। এখানেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি এবং শুভেন্দু অধিকারীর রাজনৈতিক লড়াইকে ঘিরে বাড়তি আগ্রহ তৈরি হয়েছে। নন্দীগ্রামের পাশাপাশি ভবানীপুর থেকেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন শুভেন্দু অধিকারী।
২৯৪ আসনের এই বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণা হবে আগামী ৪ মে দুপুরের পর থেকে। এর আগে ২৩ এপ্রিল প্রথম দফায় ১৫২ আসনে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়।এই নির্বাচনে মোট ভোটারের সংখ্যা ৩ কোটি ২২ লাখের বেশি। দ্বিতীয় দফায় ১০০ বছরের বেশি বয়সী ৩ হাজার ২৪৩ জন ভোটার রয়েছেন। নির্বাচন কমিশন তাঁদের বাড়িতে গিয়ে ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে।
প্রচারণা শেষ হয়েছে সোমবার সন্ধ্যায়। এরপর থেকেই ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেস, বিরোধী দল বিজেপি, সিপিএম ও কংগ্রেস—সব দলই ফলাফল নিয়ে নিজেদের হিসাব-নিকাশে ব্যস্ত।
প্রথম দফা ভোট নিয়ে তৃণমূল ও বিজেপি উভয় পক্ষই নিজেদের অনুকূলে ফল পাওয়ার দাবি করেছে। রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন নজর দ্বিতীয় দফার ভোটার উপস্থিতি ও প্রবণতার দিকে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, প্রথম দফায় ভোট পড়েছিল ৯৩ শতাংশের বেশি। দ্বিতীয় দফাতেও একই ধরনের উচ্চ ভোটার উপস্থিতির সম্ভাবনা রয়েছে।
এদিকে ভোটার তালিকা সংশোধন ঘিরেও বিতর্ক চলছে। বহু নাম বাদ পড়ার অভিযোগ ও ট্রাইব্যুনালের নির্দেশে কিছু নাম পুনঃঅন্তর্ভুক্তির বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। আজকের ভোটে সংশোধিত তালিকার অন্তর্ভুক্ত ভোটাররাও অংশ নিচ্ছেন।
সব মিলিয়ে দ্বিতীয় দফার এই ভোট পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।
