সম্প্রতি মুম্বাইয়ের এক পরিবারের আকস্মিক ও মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা ঘিরে খাদ্যাভ্যাস নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে বিরিয়ানি বা অন্যান্য ভারী খাবারের পর তরমুজ খাওয়া কতটা নিরাপদ—তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
তবে চিকিৎসকদের মতে, শুধু খাবারের ভুল সংমিশ্রণ সাধারণত প্রাণঘাতী হয়ে ওঠে না। বরং বাসি খাবার বা দূষিত পানীয় গ্রহণের ফলে গুরুতর খাদ্যবিষক্রিয়ার ঝুঁকি অনেক বেশি থাকে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কী খাচ্ছেন তার পাশাপাশি খাবারটি শরীরে কীভাবে হজম হচ্ছে, সেটিও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তাই ভারী খাবারের পর কিছু অভ্যাস এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
উদাহরণস্বরূপ, ভারী খাবারের সঙ্গে সঙ্গে ফল খেলে তা সঠিকভাবে হজম নাও হতে পারে। এতে পাকস্থলীতে গ্যাস, পেটফাঁপা বা বমির মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই মূল খাবারের অন্তত এক ঘণ্টা পর ফল খাওয়াই উত্তম।
অনেকে তেল-মশলাযুক্ত খাবারের সঙ্গে ঠান্ডা পানি বা কোমল পানীয় পান করেন, যা হজমের এনজাইমের কার্যকারিতা কমিয়ে দেয় এবং চর্বিজাতীয় খাবার জমাট বাঁধতে পারে। তাই স্বাভাবিক বা হালকা গরম পানি পান করাই উত্তম।
গরমকালে বাসি খাবার বা কাটা ফল দ্রুত নষ্ট হয়ে যায় এবং সঠিকভাবে সংরক্ষণ না করলে তাতে ব্যাকটেরিয়া বেড়ে খাদ্যে বিষক্রিয়ার ঝুঁকি বাড়ায়। তাই সবসময় টাটকা খাবার খাওয়া এবং ফল ভালোভাবে ধুয়ে খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।
এছাড়া ভারী খাবার খাওয়ার পরপরই শুয়ে পড়া ঠিক নয়। এতে হজমে সমস্যা ও অ্যাসিড রিফ্লাক্স হতে পারে। বরং কিছুক্ষণ হাঁটা এবং ঘুমানোর অন্তত ২–৩ ঘণ্টা আগে রাতের খাবার শেষ করা ভালো।
কুশল/সাএ