রাজধানীর মিরপুরের কালশী বাউনিয়া বাঁধ এলাকায় উচ্ছেদের সংবাদ সংগ্রহের সময় সাংবাদিকদের ওপর পুলিশের বর্বরোচিত হামলার ঘটনা ঘটেছে।
বুধবার (২০ মে) বিকেল আনুমানিক পাঁচটার দিকে গৃহায়ন ও গণপূর্ত কর্তৃপক্ষের উচ্ছেদ অভিযানের খবর সংগ্রহের সময় ফেসবুক লাইভ চলাকালেই পুলিশের হামলার শিকার হন দুই সংবাদকর্মী।
হামলার শিকার সাংবাদিকেরা হলেন—বাংলা দেশ প্র তিদিনের ডিজিটালের সিনিয়র রিপোর্টার নেহাল আহমেদ প্রান্ত এবং বাংলা দেশ টাই মসের স্টাফ রিপোর্টার তাসবির ইকবাল। কোনো পূর্ব নোটিশ ছাড়া আকস্মিক উচ্ছেদ অভিযান চালানোর বিষয়ে প্রশ্ন করায় উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা তাদের ওপর এই হামলা চালায়।
স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, আজ বিকেলে গৃহায়ন ও গণপূর্ত কর্তৃপক্ষের একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে কালশীর বাউনিয়া বাঁধ এলাকায় আকস্মিক উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়। কোনো ধরনের পূর্ব নোটিশ বা সতর্কবার্তা ছাড়াই বুলডোজার দিয়ে ঘরবাড়ি ভাঙা শুরু হলে স্থানীয় ১০ থেকে ১৫ হাজার বাসিন্দার মধ্যে চরম ক্ষোভ ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে প্রশাসনের উচ্ছেদকারী দল ও পুলিশের সঙ্গে স্থানীয়দের ব্যাপক সংঘর্ষ বাধে।
ভুক্তভোগী সাংবাদিকেরা জানান, এই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির খবর সংগ্রহ ও ফেসবুক লাইভ করার সময় কোনো পূর্ব নোটিশ ছাড়া এভাবে আকস্মিক উচ্ছেদ কেন করা হচ্ছে—তা নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রশ্ন করেন বাংলাদেশ প্রতিদিনের সিনিয়র রিপোর্টার নেহাল আহমেদ প্রান্ত। এতেই ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন সেখানে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা। তারা কোনো কিছু না বুঝেই প্রান্তের ওপর চড়াও হন এবং তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করতে শুরু করেন।
সহকর্মী প্রান্তকে এভাবে মাঠে ফেলে পুলিশের মারধর ও হেনস্তা করতে দেখে ফেসবুক লাইভ সচল রেখেই তাকে বাঁচাতে তাৎক্ষণিকভাবে এগিয়ে যান বাংলাদেশ টাইমসের স্টাফ রিপোর্টার তাসবির ইকবাল। কিন্তু উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা আরও উগ্র রূপ ধারণ করে তাসবিরের ওপরও একযোগে হামলা চালায়। লাইভ ক্যামেরা সচল থাকা অবস্থাতেই দুই সাংবাদিককে ব্যাপক মারধর করা হয় এবং পেশাগত
সালাউদ্দিন/সাএ