
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুাদনের পর এবার চীন সফরে যাচ্ছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং চলমান শান্তি প্রচেষ্টাকে এগিয়ে নিতে পাকিস্তানের কূটনৈটিক প্রচেষ্টার অংশ হিসেবেই তার এই সফর।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য মতে, আগামী ২৩ থেকে ২৬শে মে পর্যন্ত বেইজিং সফর করবেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী।
বৃহস্পতিবার এক নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জানান, বেইজিং সফরে চীনের নেতৃত্বের সঙ্গে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং অভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করবেন।
মুখপাত্র আরও বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যে দ্রুত শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে চীন পাকিস্তানের সঙ্গে মিলে গঠনমূলক ভূমিকা পালন করবে। শান্তি প্রতিষ্ঠা ও যুদ্ধ অবসানে পাকিস্তানের ‘ন্যায্য ও ভারসাম্যপূর্ণ’ মধ্যস্থতাকে বেইজিং পূর্ণ সমর্থন দেয়।’
প্রসঙ্গত, গত কয়েক মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার উত্তেজনা নিরসনে পাকিস্তান অন্যতম প্রধান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ভূমিকা পালন করছে।
এই কূটনৈতিক প্রচেষ্টার ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার তেহরান সফর করছেন পাকিস্তানের সেনাবাহিনী ও সশস্ত্র বাহিনীর কমান্ডার-ইন-চিফ ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির।
কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, পাকিস্তান তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে বার্তা আদান-প্রদান অব্যাহত রেখেছে, কিন্তু ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, নিষেধাজ্ঞা শিথিলকরণ, হরমুজ প্রণালী এবং তেহরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ও সহযোগী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে যুক্ত বৃহত্তর আঞ্চলিক নিরাপত্তা উদ্বেগ নিয়ে মতপার্থক্য অগ্রগতিতে বাধা সৃষ্টি করে চলেছে।
এমন পরিস্থিতিতে যুদ্ধবিরতি ভেস্তে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। যার ফলে কূনৈটিক প্রচেষ্টা আরও জোরদার করছে ইসলালামাবাদ।