ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৫টি চোরাই মোটরসাইকেলসহ ৩ জনকে আটক করেছে। আটককৃতরা হলেন শহরের নিমতলা বাজারের মোটরসাইকেল গ্যারেজ মালিক বিশ্বজিৎ কর্মকার, গাজীর বাজারের সোবহান এবং ঝিনাইদহ সদরের নারিকেল বাড়িয়া বাজারের গ্যারেজ মালিক আব্দুল্লাহ আল মামুন। শুক্রবার গভীর রাত থেকে শনিবার ভোর পর্যন্ত পৃথক অভিযান চালিয়ে মোটরসাইকেল উদ্ধারসহ তাদের আটক করে পুলিশ।
এ ঘটনায় থানার এসআই রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে ৪ জনের নামে একটি মামলা দায়ের করেছেন। পরে শনিবার বিকেলে আটকের বিষয়ে থানা চত্বরে সাংবাদিকদের প্রেস ব্রিফিং করেন কালীগঞ্জ অফিসার ইনচার্জ জেল্লাল হোসেন।
মামলার বাদী এসআই রফিক জানান, গোপন সূত্রে চোরাই মোটরসাইকেল বিক্রির খবর পেয়ে থানার ওসিকে বিষয়টি অবহিত করা হয়। এরপর শুক্রবার রাত ১১টার দিকে শহরের নিমতলা রোডে বিশ্বজিৎ কর্মকারের মোটরসাইকেল গ্যারেজে অভিযান চালানো হয়। ওই গ্যারেজ থেকে একটি কালো রঙের ১৫০ সিসি পালসার ও লাল রঙের একটি প্লাটিনা ১০০ সিসি চোরাই মোটরসাইকেলসহ তাকে আটক করা হয়।
আটককৃতের স্বীকারোক্তিতে রাত তিনটার দিকে ঝিনাইদহ সদরের নলডাঙ্গা বাজারে আব্দুল্লাহ আল মামুনের গ্যারেজে অভিযান চালানো হয়। তার গ্যারেজ থেকে কালো-লাল রঙের একটি ডিসকভারি ১২৫ সিসি সাইকেল ও একটি লাল রঙের হোন্ডা ১১০ সিসি মোটরসাইকেলসহ তাকে আটক করা হয়।
এরপর শনিবার ভোর রাতে কালীগঞ্জ উপজেলার গাজীর বাজারে সোবহানের পুরাতন মোটরসাইকেল শো-রুমে অভিযান চালিয়ে কালো রঙের আরও একটি ডিসকভারি ১২৫ সিসি মোটরসাইকেলসহ তাকে আটক করা হয়।
কালীগঞ্জ থানার ওসি জেল্লাল হোসেন জানান, পুলিশি অভিযানে ৫টি চোরাই মোটরসাইকেলসহ ৩ জনকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতরা চোরাই মোটরসাইকেল বিক্রির সিন্ডিকেটের সদস্য। তারা উদ্ধারকৃত সাইকেলগুলোর কোনো বৈধ কাগজ বা মালিকানার কাগজ দেখাতে পারেনি। সন্ধ্যার আগে আটককৃতদের জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
সালাউদ্দিন/সাএ