সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা পরিচালনার ব্যয় নির্বাহে এখন থেকে নির্ধারিত হারে ফি আদায়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, বিদ্যালয়গুলোতে পরীক্ষার খরচ মেটাতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
শনিবার (১৩ জুন) বাংলাদেশ গার্ল গাইডস অ্যাসোসিয়েশনের জাতীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ‘হলদে পাখি’ কার্যক্রম সম্প্রসারণের লক্ষ্যে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রাথমিক শিক্ষা ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তারা অংশ নেন।
সচিব জানান, বর্তমানে প্রধান শিক্ষকরা স্লিপ বরাদ্দের মাধ্যমে কিছু অর্থ পেলেও তা দিয়ে অনেক সময় পরীক্ষা আয়োজন করা কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে অনেক ক্ষেত্রে শিক্ষকদের ব্যক্তিগত অর্থ খরচ করতে হয়। এ পরিস্থিতি এড়াতেই শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নির্ধারিত সীমার মধ্যে ফি নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
তিনি আরও জানান, নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ৫০ টাকা, চতুর্থ শ্রেণির জন্য ৪০ টাকা এবং তৃতীয় শ্রেণির জন্য ৩০ টাকা পরীক্ষা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।
মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, স্লিপ বরাদ্দ ইতোমধ্যে বাড়ানো হয়েছে এবং আগামী অর্থবছরে বিদ্যালয়গুলো আরও বেশি অর্থ পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। পরীক্ষা ফি নিয়ে সমালোচনা আসতে পারে উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রয়োজনে তিনি বিষয়টি ব্যাখ্যা করবেন। তার ভাষায়, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এর চেয়েও বেশি ফি নেওয়ার নজির রয়েছে, আর শিক্ষকদের ওপর অতিরিক্ত চাপ না দিয়ে বাস্তবসম্মতভাবে পরীক্ষা পরিচালনাই মূল উদ্দেশ্য।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব (পরিকল্পনা) ছাইফুল ইসলাম, গার্ল গাইডস অ্যাসোসিয়েশনের হলদে পাখি কমিশনার বেলা রাণী সরকার, ডেপুটি জাতীয় কমিশনার (প্রোগ্রাম) অধ্যাপক ড. ইয়াসমিন আহমেদসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কর্মকর্তা ও আঞ্চলিক কমিশনাররা।
কুশল/সাএ