
তুরস্কের কোচ ভিনচেনজো মন্তেল্লা।
প্যারাগুয়ের বিপক্ষে হেরে বিশ্বকাপ থেকে দলের বিদায় কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না তুরস্কের কোচ ভিনচেনজো মন্তেল্লা। তবে ফিনিশিংয়ে আরেকটি ব্যর্থতার দিনে খেলোয়াড়দের কাঠগড়ায় তুলছেন না তিনি। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে ১০ জনের দলে পরিণত হওয়া প্যারাগুয়ের বিপক্ষে ৩২ শট নিয়েও ১-০ গোলে হেরেছে তুরস্ক।
ম্যাচ শেষে দলটির ইতালিয়ান কোচ মন্তেল্লার কণ্ঠে ঝরল একরাশ হতাশা। তিনি বলেন,‘ আমরা সুযোগ তৈরি করেছিলাম কিন্তু কোনো ভাবে বল জালে গেল না। অন্য দল তাদের মোমেন্টাম পেয়েছে এবং গোল করেছে। স্রেফ দুই ম্যাচ খেলেই বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেওয়া খুব বেদনাদায়ক।’
চলতি আসরে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে দ্রুততম গোল করে দ্বিতীয় মিনিটে এগিয়ে যায় প্যারাগুয়ে। ৬৫তম সেকেন্ডের গোল বাকিটা সময় জমাট রক্ষণ আর গোলরক্ষকের দৃঢ়তায় ধরে রাখে তারা।
‘ডি’ গ্রুপের সেরা দল হওয়ার চ্যালেঞ্জ নিয়ে উত্তর আমেরিকায় আসা তুরস্ক নিজেদের প্রথম ম্যাচেও নষ্ট করে অনেক সুযোগ। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ২-০ গোলে হেরে যাওয়া ম্যাচেও ৩০ শট নেয় তারা। ফিনিশিংয়ে আরেকটু ভালো করতে না পারার আক্ষেপে পুড়ছেন তুরস্ক কোচ।
তিনি বলেন,‘ অবশ্যই আমরা আরও নিখুঁত হতে পারতাম। তবে আমি মনে করি না, খেলোয়াড়দের বিপক্ষে বলার কিছু আছে। আমি এই ছেলেদের আগের চেয়েও বেশি ভালোবাসি, কারণ ওরা নিজেদের উজাড় করে দিয়েছে। ফুটবল যৌক্তিক নয়, আর সেটাই এটাকে বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর খেলায় পরিণত করেছে।’
২০০২ বিশ্বকাপের পর এবারই প্রথম বিশ্ব আসরে খেলল তুরস্ক। মন্তেল্লা মনে করেন, সেবার সেমি-ফাইনালে খেলা দলটির বড় টুর্নামেন্টের মূল পর্বে আরও বেশি খেলা উচিত। হতে পারে অবচেতনভাবে এতো দীর্ঘ বিরতিতে বড় টুর্নামেন্টে খেলার চাপ আমাদের প্রভাবিত করেছে। বড় টুর্নামেন্টে খেলার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে আমাদের। আমি মনে করি, সেখান থেকেই সবকিছুর উন্নতি হবে।”