রবিবার , ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আন্তর্জাতিক
  4. খেলা
  5. খেলাধুলা
  6. জাতীয়
  7. তথ্য-প্রযুক্তি
  8. দেশজুড়ে
  9. প্রবাস
  10. প্রাকৃতিক দুর্যোগ
  11. বিনোদন
  12. মতামত
  13. রাজনীতি
  14. লাইফস্টাইল
  15. শিক্ষা

আমেরিকার দু:খ বেদনার মহাকাব্য


সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ ১২:৩৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

আমেরিকার দু:খ বেদনার মহাকাব্য সেপ্টেম্বর ইলেভেন। ভোরের সূর্যোদয়ের সৌন্দর্য্য ব্যাতিরেখে যেমন একটি দিনের মূল্যায়ন করা যায় না, তেমনি সেপ্টেম্বর ইলেভেনের পূর্বের আমেরিকাকে যারা প্রত্যক্ষ্য করেনি তারা এখনও আমেরিকাকে পূরোটা জানতেও পারেনি, বুঝতেও পারেনি।

উহ্ কি সাংঘাতিক। এখনও বুক চিন চিন করে উঠে, মাথাটা ঘুরতে থাকে, আমার চোখ অন্ধকার হয়ে আসে।

ভোর আটটার দিকে কাজে গিয়ে শুনলাম, টুইন টাওয়ারে কি করে যেন আগুন লেগে গিয়েছে। রাস্তায় দাড়িয়ে লোকজন ধোঁয়া দেখার চেষ্টা করছে। মানুষ ছুটাছুটি করছে।

ঘীরে ধীরে মানুষের মধ্যে কিসের যেন একটা আশংকা, এক ধরনের বিভৎস আলোচনা চলছে। ধীরে ধীরে রাস্তার গাড়ি গোড়া, বাস ট্রাক চলাচল কমতে শুরু করল। যেখানে কাজ করতাম সেই কাজের প্রতিষ্টান প্রতিদিনের মতোই খুলে আবারও বন্ধ হয়ে গেল। এখনকার মতো সেলফোন না থাকায়, কাজও বন্ধ হওয়ায় বাসায় ফোনও করতে পারছিলাম না।

মানুষজনের কৌতুহলী চাহনীকে কিছুতেই অবজ্ঞা বা হেলায় উড়িয়ে দিতে পারছিলাম না।

ভাইজান খুব ভোরে অফিসে যায় জানি। আর তার অফিসও কুইন্সে, ম্যানহাটনে নয় ভেবে নিশ্চিত। তখনও আমেরিকায় আসার দুই বছর পূর্ন হয়নি। প্রতিদিন নয়টার দিকে ভাইজান তার অফিস থেকে আমার কাজের জায়গায় কল দিয়ে হাই হ্যালো বলে। কাজে আসলামকি না তার খোঁজ নেয়।

আজ তার আগেই বাসায় ফেরার জন্যে ট্রেন বাসের অপেক্ষায় আছি। দুদু ঘন্টায়ও বাস পাচ্ছি না।

ঐদিকে বাসার খবরও নিতে পারছিলাম না। চিন্তা করা যায়? পঁচিশটি বছর কেটে গেল। এই দিনে কি ঘটেছিল আমেরিকায়? কেমন ছিল সেই দিনটি? আজকের দিনের এই আমেরিকার সংগে সেপ্টেম্বর ইলেভেনের পূর্বের দিনগুলোর মধ্যে যে পার্থক্য বা ব্যাবধান, যে অসংগতি ও অমানবিক যাতনার তীব্রদহন তা কেমন করে, কি করলে প্রকৃত অনুধাবন করা যায়? ভাবলে গা শিউরে উঠে।

আমার কেন জানি মনে হয়, আমার মতো যারা সেদিন নিউইয়র্কে বসবাস করতেন বা ছিলেন, তাদের কাছে যেভাবে প্রতিভাত হবে তা অবশ্যই অন্যদের থেকে আলাদা হবেই।

আমি যখনই এই দিনটির কথা ভাবী, নিজেকে কেন জানি হারিয়ে ফেলি। মনে হয় আমেরিকার আমেরিকাত্বটাই যেন ঐ ঘটনটায় বড্ড নূজ হয়ে গেছে। দূর্বল হয়ে গেছে।

মেরুদন্ডে শক্ত আঘাতে যেমন মানুষ সারা জীবন যেমন একটা ক্ষত বয়ে বেড়ায়, আমেরিকাও এই সেপ্টেম্বর ইলেভেনের ক্ষতকে বয়ে নিয়ে চলেছে। তারা শোককে শক্তিতে রুপান্তরিত করেও যেন সেই ক্ষত সাড়াতে পারছে না।

ভাবনাটা কেন হয় জানিনা, তবে এটা বুঝি যে, আমেরিকানরা অত্যন্ত ধৈর্যশীল স্হীর ধীর মস্তিষ্কের জাতি না হলে তারা এভাবে এত সহজে ঘুড়ে দাঁড়াতে পারত না।

সে কারনেই তৎকালিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশকে কৃতিত্বটা না দিলে যার পর নাই অকৃতজ্ঞতা হবে বলা যায়। আর নিউইয়র্কের তৎকালিন মেয়র জুলিয়ানীর কথাত না বললেই নয়। আমার প্রিয় সিনেটর চাকশুমারসহ জাতীয় নেতাদেরও অবদান অনস্বীকার্য। নিউইয়র্কের পুলিশত অবশ্যই ধন্যবাদ পাওয়ার যোগ্য।

লেখক : কাজী ওয়াহিদুজ্জামান স্বপন, আমেরিকা প্রবাসী আইনজীবি

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।

📰 ঢাকা ইনফো২৪

দেশ-বিদেশের সর্বশেষ খবর, প্রবাসীদের তথ্য ও গুরুত্বপূর্ণ আপডেট

আরও পড়ুন
`);w.document.close();setTimeout(function () { w.focus(); w.print(); }, 500);});});