বাংলাদেশ আরচারি ফেডারেশনের সভাপতি কাজী রাজিব উদ্দিন আহমেদ চপল একই সঙ্গে দায়িত্ব সামলাচ্ছেন ওয়ার্ল্ড আরচারি এশিয়ার সভাপতির পদেও; তিনিই খোলাসা করেছেন এই পুরস্কারের অঙ্ক। কালবেলাকে কাজী রাজিব উদ্দিন আহমেদ চপল বলেন, ‘স্বর্ণজয়ে ১০ লাখ, রুপার জন্য ৫ লাখ এবং ব্রোঞ্জ জিতলে ৩ লাখ টাকা পুরস্কার পাবেন আরচারি খেলোয়াড়রা। তাদের উজ্জীবিত করতে ফেডারেশনের তরফে এই পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে।’
গেমসের ময়দানে বাংলাদেশের উপস্থিতি এবার বেশ বিস্তৃত। ছেলেদের রিকার্ভ বিভাগে ব্যক্তিগত ও দলগত লড়াইয়ের পাশাপাশি লড়ছে মিশ্র দলগত ইভেন্টও। কম্পাউন্ড বিভাগেও একই ছবি- ব্যক্তিগত, দলগত ও মিশ্র দলগত, তিন ইভেন্টেই লড়ছেন লাল-সবুজের তীরন্দাজরা। শনিবার সবগুলো ইভেন্টের র্যাংকিং রাউন্ড শেষ হওয়ার পর ঠিক হয়ে গেছে কে কার প্রতিপক্ষ। রোববার বাংলাদেশ সময় ভোর ৫টা ১৫ মিনিটে শুরু হবে এলিমিনেশন রাউন্ড- যে রাউন্ডে জয় মানেই এগিয়ে যাওয়া, আর হার মানেই বিদায়।
গেমস শুরুর আগে সম্ভাবনার তালিকায় নাম ছিল শুটিং, নারী ও পুরুষ কাবাডি এবং নারী ক্রিকেটের। বাস্তবতা অবশ্য সেই প্রত্যাশার সঙ্গে তাল মেলাতে পারেনি। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের অর্জনের খাতায় জমা পড়েছে কেবল একটি পদক- উশু থেকে, জিন্নাত আক্তারের হাত ধরে। খাতাটি আরও সমৃদ্ধ হওয়ার সম্ভাবনা এখনো টিকে আছে, আর সেই ভরসার নাম আরচারি ও পুরুষ ক্রিকেট। এই বাস্তবতায় তীরন্দাজদের উজ্জীবিত করতে ফেডারেশনের এই উদ্যোগ।