শুক্রবার , ২ অক্টোবর ২০২৬
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আন্তর্জাতিক
  4. খেলা
  5. খেলাধুলা
  6. জাতীয়
  7. তথ্য-প্রযুক্তি
  8. দেশজুড়ে
  9. প্রবাস
  10. প্রাকৃতিক দুর্যোগ
  11. বিনোদন
  12. মতামত
  13. রাজনীতি
  14. লাইফস্টাইল
  15. শিক্ষা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

দারিদ্রতার কষাঘাতে ভাঙ্গলেও, অবশেষে ধুমধামেই বিয়ে হলো সুচিত্রার


অক্টোবর ২, ২০২৬ ২:৩৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

বাবা সেলুনে কাজ করেন। মা আগে চালকলে কাজ করলেও অসুস্থতার কারণে এখন আর কাজ করতে পারেন না। দুই সন্তানসহ চার সদস্যের পরিবারে যেখানে দুবেলা খাবার জোগাড় করাই কঠিন, সেখানে অর্থের অভাবে তিনবার বিয়ে ভেঙে যায় সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার জামতৈল গ্রামের সুচিত্রা রানী দাসের।

সুচিত্রা রানী দাস জামতৈল সূত্রধরপাড়ার সুজন চন্দ্র দাস ও কামনা রানী দাস দম্পতির মেয়ে। তাদের এক ছেলে ও এক মেয়ে সন্তান রয়েছে।

সুচিত্রার টাকার অভাবে তিনবার বিয়ে ভেঙে যাওয়ার বিষয়টি নজরে আসে মানবিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত মামুন বিশ্বাসের। পরে তিনি সুচিত্রার বিষয়টি তুলে ধরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে পোস্ট দেন। সেই পোস্ট দেখে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে মানুষ মামুন বিশ্বাসের অ্যাকাউন্টে অর্থ সহায়তা পাঠাতে থাকেন। এতে ২ লাখ ৩২ হাজার টাকা সংগ্রহ হয়।

শুক্রবার সেই অর্থের সহায়তায় ধুমধাম করে সুচিত্রার বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। একই জেলার উল্লাপাড়া উপজেলার হাট বোয়ালিয়া গ্রামের ঝড়ু লাল চন্দ্র ভৌমিক ও মমতা রানী ভৌমিক দম্পতির ছেলে পলাশ কুমার ভৌমিকের সঙ্গে তার বিয়ে হয়।

সুচিত্রার মা কামনা রানী দাস বলেন, ‘আমি একসময় চালকলে কাজ করতাম। অসুস্থতার কারণে এখন আর কাজ করতে পারি না। সুচিত্রার বাবা সেলুনে কাজ করেন, তারও আগের মতো কাজ নেই। তিনি যে টাকা আয় করেন, তা দিয়ে এক ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে আমাদের খুব কষ্টে চলতে হয়। ঘরবাড়ির অবস্থাও ভালো নয়। টাকার অভাবে সুচিত্রার তিনবার বিয়ে ভেঙে যায়। মামুন বিশ্বাস ভাই আমাদের পাশে না দাঁড়ালে এবারও বিয়ে ভেঙে যেত।’

সুচিত্রা রানী দাস বলেন, ‘এর আগে তিনবার তার বিয়ে ঠিক হলেও টাকার অভাবে বিয়ে হয়নি। এবারও বিয়ে ঠিক হওয়ার পর থেকে আমি ও আমার মা-বাবা দুশ্চিন্তায় ছিলাম। কিন্তু মামুন বিশ্বাস মামা এসে আমাদের পাশে দাঁড়ান। কোনো দিন ভাবিনি আমার মতো অসহায় মেয়ের এত বড় আয়োজন করে বিয়ে হবে। তার প্রতি আমরা চিরকৃতজ্ঞ।’

মামুন বিশ্বাস বলেন, ‘সুচিত্রার বিষয়টি জানতে পেরে ফেসবুকে পোস্ট দিই। দেশ-বিদেশের মানবিক মানুষের সহযোগিতায় ২ লাখ ৩২ হাজার টাকা সংগ্রহ হয়। সেই অর্থে বিয়ের প্রয়োজনীয় কাজ শেষ করার পর ২৩ হাজার টাকা সুচিত্রার মায়ের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এই কৃতিত্ব আমার নয়; দেশ-বিদেশ থেকে যারা সহযোগিতা করেছেন, কৃতিত্ব তাদের। আমি শুধু চেষ্টা করে যাচ্ছি।’

মামুন বিশ্বাস আরও জানান, সুচিত্রার বিয়ের মতো ফেসবুকের মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করে এখন পর্যন্ত দেড় শতাধিক অসহায় মেয়ের বিয়ে দেওয়া সম্ভব হয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, তাদের সবাই সুখে-শান্তিতে সংসার করছেন।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।

📰 ঢাকা ইনফো২৪

দেশ-বিদেশের সর্বশেষ খবর, প্রবাসীদের তথ্য ও গুরুত্বপূর্ণ আপডেট

আরও পড়ুন
`);w.document.close();setTimeout(function () { w.focus(); w.print(); }, 500);});});