বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলার অভিযোগ তুলে ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার একটি কমিউনিটি ক্লিনিকে অনশনে বসেছেন এক তরুণী। সোমবার সকালে উপজেলার ডাইয়ারপাড় কমিউনিটি ক্লিনিকে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় তাকে মারধর এবং তার নগদ টাকা, মুঠোফোন ও অন্যান্য মালামাল নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রেমিকের স্বজনদের বিরুদ্ধে।
অভিযুক্ত মামুনুর রশিদ সবুজ ওই কমিউনিটি ক্লিনিকের হেলথ প্রোভাইডার হিসেবে কর্মরত। তরুণীর অভিযোগ, গত দুই মাস ধরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বিয়ের আশ্বাস দিয়ে সবুজ তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলেন। পরে লালমোহন পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডে একটি বাসা ভাড়া নিয়ে তারা একসঙ্গে বসবাস করতেন।
তরুণী জানান, সোমবার তিনি সবুজকে বিয়ের জন্য চাপ দেন। এ সময় তাকে ক্লিনিকে রেখে সবুজ চলে যান। পরে বিয়ের দাবিতে ওই ক্লিনিকে অনশনে বসেন তিনি। তার অভিযোগ, এ ঘটনার জেরে তাকে মারধর করা হয়। একই সঙ্গে তার সঙ্গে থাকা মালামাল, নগদ টাকা ও মুঠোফোন নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
অভিযুক্ত সবুজের বক্তব্য জানতে তার ব্যবহৃত মুঠোফোন নম্বরে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। ফলে অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তজুমদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, প্রেমঘটিত বিষয় নিয়ে এক যুবক ও তরুণীর মধ্যে ধস্তাধস্তির ঘটনা শুনেছি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. মাহাবুব কবির বলেন, অনশনরত তরুণী ফোনে বিষয়টি জানিয়েছেন। তাকে পারিবারিকভাবে সমাধানের চেষ্টা করতে অথবা লিখিত অভিযোগ দিতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। লিখিত অভিযোগ ছাড়া প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ নেই বলেও জানান তিনি।
প্রসঙ্গত, মামুনুর রশিদ সবুজ এর আগেও বরিশালে একটি খ্রিষ্টান মেয়েসহ দুইটি বিয়ে করেন। দুই ঘরে তার তিন সন্তান রয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
Scale Your Newsportal
Blazing-fast frontend, robust backend & ad monetization ready.
Scale Your Newsportal
Blazing-fast frontend, robust backend & ad monetization ready.