ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান উত্তেজনা ও সংঘাত পরিস্থিতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তানের নাম উঠে এসেছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই প্রক্রিয়ায় বিশেষ ভূমিকা রাখছেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির।
প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, তিনি এমন একজন বিরল ব্যক্তি, যিনি সরাসরি যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরান—উভয় দেশের শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃত্বের সঙ্গে টেলিফোনে যোগাযোগ করতে সক্ষম হয়েছেন। এর মাধ্যমে তিনি দুই দেশের মধ্যে বার্তা আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছেন বলে উল্লেখ করা হয়।
আরও বলা হয়েছে, এই পুরো কূটনৈতিক আলোচনা প্রক্রিয়া ইসলামাবাদের সংসদ ভবন নয়, বরং রাওয়ালপিন্ডির সেনা সদরদপ্তর থেকে পরিচালিত হচ্ছে।
জাতিসংঘ, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যে পাকিস্তানের সাবেক রাষ্ট্রদূত মালিহা লোধি এই উদ্যোগে সেনাপ্রধানের ভূমিকার প্রশংসা করে বলেছেন, এই শান্তি প্রক্রিয়ার মূল চালিকাশক্তি হিসেবে আসিম মুনির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন এবং তার সম্পৃক্ততা ছাড়া আলোচনার অগ্রগতি সম্ভব হতো না।
তার মতে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র উভয়ই মুনিরের ওপর আস্থা রাখছে, যেখানে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বা সরকারি মন্ত্রীরা কেবল সহযোগী হিসেবে কাজ করছেন। মূলত সামরিক বাহিনীর এই প্রভাবশালী অবস্থানের কারণেই পাকিস্তান বর্তমান ভূ-রাজনীতিতে এক শক্তিশালী মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিজের জায়গা করে নিয়েছে।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান।
কুশল/সাএ
