কানাডার ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে বড় তারকা মানা হয় তাকে। আলফানসো ডেভিস নিজের নামের পাশে সুবিচার করতে পারলেন দ্বিতীয় ম্যাচে এসে। দুই লাল কার্ড ও ডেভিসের রেকর্ড গড়া হ্যাটট্রিকে কাতারকে ৬-০ গোলে বিধ্বস্ত করে নকআউট পর্বে এক পা দিয়ে রাখল স্বাগতিক কানাডা।
ভ্যাঙ্কুভারে বাংলাদেশ সময় শুক্রবারে ভোরে ‘বি’ গ্রুপের ম্যাচটি ৬-০ গোলে জিতেছে কানাডা। তাদের অন্য দুই গোলদাতা কাইল ল্যারিন ও ন্যাথান সালিবা।
বিশ্বকাপে নিজেদের তৃতীয় আসরে খেলতে নেমে প্রথম জয়ের স্বাদ পেল কানাডা। ১৯৮৬ ও ২০২২ আসরে তিনটি করে ছয়টি ম্যাচ খেলে হেরেছিল সবগুলোয়।
গ্রুপের দুই রাউন্ড শেষে একটি করে জয় ও ড্রয়ে কানাডা ও সুইজারল্যান্ডের পয়েন্ট সমান ৪। তবে গোল ব্যবধানে এগিয়ে শীর্ষে কানাডা। বসনিয়া ও কাতারের পয়েন্ট সমান ১ করে।
অবিশ্বাস্যভাবে নিজেদের মেলে ধরা কানাডাকে কখনোই কোনো চ্যালেঞ্জ জানাতে পারেনি কাতার। ম্যাচের পরিসংখ্যানেও তা স্পষ্ট; ৭৫ শতাংশের বেশি সময় পজেশন রেখে গোলের জন্য ৩৩টি শট নিয়ে ১০টি লক্ষ্যে রাখতে পারে কানাডা। কাতারের দুই শটের একটিও লক্ষ্যে ছিল না।
ছয় দশকে প্রথম কোনো স্বাগতিক ফুটবলার হিসেবে বিশ্বকাপে হ্যাটট্রিক করলেন ডেভিড। ২৯, ৪৫ ও ৯২ মিনিটে গোল করেন তিনি। ১৯৬৬ সালের ইংল্যান্ড বিশ্বকাপের ফাইনালে জার্মানির বিপক্ষে ৪-২ গোলে জয়ের পথে হ্যাটট্রিক করেছিলেন ইংলিশ তারকা জিওফ হার্স্ট।
কানাডার ইতিহাসে আগে থেকেই সর্বোচ্চ গোলদাতা ডেভিড; জাতীয় দলের হয়ে তার গোল হলো ৪২টি, ৭৯ ম্যাচে।
গ্রুপে শেষ রাউন্ডে আগামী বুধবার সুইজারল্যান্ডের মুখোমুখি হবে কানাডা। ম্যাচটি ড্র করলেই গ্রুপ সেরা হবে তারা। একই সময়ে মুখোমুখি মাঠে নামবে বসনিয়া ও কাতার।