২০২৩-২৪ মৌসুমের সেই বিধ্বংসী ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের কথা মনে আছে? ক্ষিপ্র গতি আর দুর্দান্ত ড্রিবলিংয়ে প্রতিপক্ষের রক্ষণে ঝড় তুলে গোল করাটা যিনি প্রায় ডালভাতে রূপ দিয়েছিলেন! এবার সেই ভিনির পাশে আজকের ভিনিকে দাঁড় করান তো—পার্থক্যটা দেখে সত্যি থ বনে যেতে হয়, একেবারে আকাশ আর পাতাল!
চলতি মৌসুমে কিছুটা ধীরগতির শুরুর কারণেই তার বাজারমূল্যে এই পতন। বর্তমানে ভিনিসিয়ুস তালিকার বেশ পেছনে পড়ে গেছেন; যেখানে ২২ কোটি ইউরো বাজারমূল্য নিয়ে যৌথভাবে শীর্ষে আছেন লামিনে ইয়ামাল ও আর্লিং হালান্ড।
২০২৪ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে ক্যারিয়ারের সেরা সময় কাটিয়েছিলেন ভিনিসিয়ুস। তখন তার সর্বোচ্চ বাজারমূল্য ছুঁয়েছিল ২০ কোটি ইউরো, যা এখন কমতে কমতে ১৩ কোটি ইউরোতে এসে ঠেকেছে।
বিশ্বের সবচেয়ে দামি ফুটবলারদের তালিকায় ভিনিসিয়ুস এখন ১০ নম্বর স্থানে রয়েছেন। রিয়াল মাদ্রিদ সতীর্থ কিলিয়ান এমবাপে (৩য়) এবং জুড বেলিংহামের (৫ম) পেছনে আছেন তিনি।
অন্যদিকে, রিয়াল মাদ্রিদের আইভোরিয়ান তারকা ইয়ান দিওমান্দোর বাজারমূল্য ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। ৯ কোটি ইউরো থেকে একলাফে তার বাজারদর এখন ১২ কোটি ইউরোতে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে তিনি ভিনিসিয়ুসের বেশ কাছাকাছি চলে এসেছেন এবং ধারণা করা হচ্ছে খুব শিগগিরই তিনি ভিনিকে ছাড়িয়ে যাবেন।
মরিনিয়োর রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে এই মৌসুমে ৭ ম্যাচে মাত্র একটি গোল করার খারাপ ছন্দই ভিনিসিয়ুসের এই ১ কোটি ইউরো মূল্যায়ণ কমার মূল কারণ। এমনকি আতলেতিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে সাম্প্রতিক ডার্বিতে তার হতাশাজনক পারফরম্যান্সের কারণে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে তাকে।
বিশ্বসেরা ১০ জন সবচেয়ে দামি খেলোয়াড়ের তালিকায় ভিনিসিয়ুস এখনো জায়গা ধরে রাখলেও, গত ১৮ মাসে তার বাজারমূল্য ব্যাপকভাবে কমেছে। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে তার সর্বকালের সর্বোচ্চ বাজারমূল্য দাঁড়িয়েছিল ২০ কোটি ইউরোতে, যা তাকে বিশ্বের যৌথভাবে শীর্ষ দামি খেলোয়াড়ে পরিণত করেছিল; কিন্তু সেখান থেকে এ পর্যন্ত তার মূল্যায়ন ৭ কোটি ইউরো হ্রাস পেয়েছে।