
দাপুটে জয়ে নিজেদের জাত চিনিয়েছে ব্রাজিল
ম্যাচের ৭৮তম মিনিটে ব্রাজিলের দ্রুতগতির এক আক্রমণ থেকে সুযোগটি তৈরি করেন রায়ান। মাঝমাঠ থেকে বল পেয়ে সামনে এগিয়ে থাকা এনদ্রিকের উদ্দেশে নিখুঁত পাস বাড়ান তিনি। বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ডান দিকে কাট করে এগিয়ে যান এনদ্রিক। এরপর হাইতির গোলরক্ষক জনি প্লাসিডকে পরাস্ত করে তার পায়ের ফাঁক দিয়ে বল জালে জড়ান তরুণ এই ফরোয়ার্ড।
গোলের পরই উদযাপন শুরু করেছিলেন এনদ্রিক ও তার সতীর্থরা। তবে কিছুক্ষণ পর সহকারী রেফারির পতাকা ওঠে। রিপ্লেতে দেখা যায়, পাস নেওয়ার সময় সামান্য এগিয়ে ছিলেন এনদ্রিক। ফলে ভিডিও সহকারী রেফারির (ভিএআর) যাচাইয়ের পর অফসাইডের সিদ্ধান্ত বহাল থাকে এবং গোলটি বাতিল করা হয়।
যদিও সেই গোল বাতিল হয়েছে, তবু ম্যাচজুড়ে ব্রাজিলের আধিপত্যে কোনো ঘাটতি ছিল না। প্রথম ম্যাচে মরক্কোর বিপক্ষে ১–১ গোলে ড্র করে সমালোচনার মুখে পড়া কার্লো আনচেলত্তির দল হাইতির বিপক্ষে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দেয়।

অফসাইডে বাতিল এনদ্রিকের গোল
প্রথমার্ধেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে তুলে নেয় সেলেসাওরা। জোড়া গোল করেন ম্যাথিউস কুনহা। আরেকটি গোল করেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। ফলে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
দ্বিতীয়ার্ধেও একের পর এক আক্রমণে হাইতির রক্ষণভাগকে ব্যস্ত রাখে ব্রাজিল। এনদ্রিকের বাতিল হওয়া গোলটি ব্যবধান আরও বাড়ানোর সম্ভাবনা তৈরি করেছিল। তবে অফসাইডের কারণে সেটি স্কোরশিটে যোগ হয়নি।
এর আগে, ম্যাচের ১২তম মিনিটে জালে বল পাঠিয়ে দলকে এগিয়ে দিয়েছিলেন রাফিনিয়া। তবে গোলের পরপরই সাইডলাইনে থাকা সহকারী রেফারি অফসাইডের সংকেত দেন।
এরপর ঘটনাটি পর্যালোচনা করতে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) প্রযুক্তির সাহায্য নেওয়া হয়। সংক্ষিপ্ত পর্যালোচনার পর নিশ্চিত হওয়া যায়, পাস দেওয়ার মুহূর্তে রাফিনিয়া সামান্য অফসাইড অবস্থানে ছিলেন। ফলে গোলটি বাতিল করে দেন ম্যাচ কর্মকর্তারা।