চলতি দাখিল পরীক্ষায় নকল করার অপরাধে এক শিক্ষার্থী ও তিনজন শিক্ষককে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সাথে বহিষ্কৃত শিক্ষকদের তিন বছর পরীক্ষার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে। এ সময় আটক করা হয়েছে দুইজন বহিরাগতকে।
রোববার (৩ মে) দুপুরে কেশবা ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসা কেন্দ্রে বাংলা দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে এ ঘটনা ঘটে।
সূত্র জানায়, মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে দাখিল পরীক্ষার বাংলা দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা চলাকালীন জানালার বাইরে থেকে দুইজন বহিরাগত এক পরীক্ষার্থীকে টিক চিহ্ন দিয়ে দিচ্ছিল। এ সময় ওই দুই বহিরাগত যুবককে আটক করা হয়।
এ ঘটনায় মাগুড়া মুন্সিপাড়া দাখিল মাদ্রাসার পরীক্ষার্থী আতিকুলকে বহিষ্কার করা হয়। একই ঘটনায় মাগুড়া দোলাপাড়া আলিম মাদ্রাসার শিক্ষক মোস্তাফিজার রহমান, বাহাগিলী ডিএস দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক মামুনুর রশিদ এবং বাহাগিলী খামাতপাড়া দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক সাজেদুল ইসলামকে এক বছর বহিষ্কার ও তিন বছর পরীক্ষার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
অপরদিকে আটককৃত বহিরাগত জলঢাকা উপজেলার টেংগনমারী কুঠিপাড়া গ্রামের লিমন ইসলাম (২১) ও কিশোরগঞ্জ উপজেলার মাগুড়া পাটোয়ারীপাড়ার সাকিল মিয়াকে (৩১) মামলা দায়েরের পর পুলিশ জেলা কারাগারে প্রেরণ করেছে।
ওসি লুৎফর রহমান জানান, অসদুপায় অবলম্বনে পরীক্ষার্থীকে সহযোগিতা করায় নিয়মিত মামলা দায়েরের পর গ্রেফতারকৃত দুইজনকে জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। উপজেলা সমাজসেবা অফিসার ও দাখিল পরীক্ষার কেন্দ্র সচিব জাকির হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, অবাধ, সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা গ্রহণে এরকম অভিযান অব্যাহত থাকবে।