বরগুনা জেলায় বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম এঁর জন্মবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে।
শুক্রবার (৮ মে) বিকেলে জেলা শিল্প কলা একাডেমি মিলনায়তনে বিকেল ৫ টায় জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আলোচনা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা প্রশাসনের আয়োজনে, বাংলাদেশ শিশু একাডেমি ও জেলা শিল্পকলা একাডেমির সহযোগিতায় এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, জেলা প্রশাসক তাছলিমা আক্তার। উপস্থিত ছিলেন স্হানীয় সরকার বিভাগের উপ পরিচালক সেলিম শাহনেওয়াজ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক অনিমেষ বিশ্বাস।
অনুষ্ঠানে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলাম এঁর জীবনের উপর প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন, সরকারি কলেজের প্রভাষক রাজিব হালদার, সরকারী মহিলা কলেজের প্রভাষক দিপক চন্দ্র দেবনাথ।
বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক তাছলিমা আক্তার, বরগুনা প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. হাফিজুর রহমান, জেলা বিএনপির সাবেক সি: যুগ্ন আহবায়ক এজেডএম সালেহ ফারুক, জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক রেজবুল কবির, ইসলামি আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক আবদুর শাকুর, সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি হারুন অর রশিদ রিংকু।
জেলা প্রশাসন, বরগুনার আয়োজনে এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, বরগুনার সহযোগিতায় বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম এবং জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী ২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে অদ্য জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তন, বরগুনায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক, বরগুনা মিজ্ তাছলিমা আক্তার। প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত ছিলেন ১১০ বরগুনা-২ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের মাননীয় চীফ হুইপ মোঃ নূরুল ইসলাম মণি এমপি। অনুষ্ঠানটি সাফল্যমণ্ডিত করতে আরও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিবর্গ, বরগুনা জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবকবৃন্দ এবং সংস্কৃতিপ্রেমী সধারণ জনগণ।
অনুষ্ঠানে কবিদ্বয়ের জীবন ও সাহিত্যকর্ম নিয়ে দুইটি প্রবন্ধ উপস্থাপন, আলোচনা, কবিতা আবৃত্তি, সংগীত ও নৃত্য পরিবেশন করেন স্থানীয় শিল্পী ও শিক্ষার্থীরা। সবশেষে দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
জেলা প্রশাসক তাঁর বক্তব্যে বলেন, রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের চিন্তা ও সৃষ্টি আমাদের জাতীয় চেতনার অবিচ্ছেদ্য অংশ। নতুন প্রজন্মকে তাঁদের আদর্শ ও সাহিত্য চর্চায় উদ্বুদ্ধ করতে হবে। সাহিত্যের মাধ্যমে জীবনবোধকে উপলব্ধি করতে হবে এবং মননশীলতার বিকাশ ঘটাতে হবে।