সুস্থ, সচেতন ও দেশপ্রেমিক প্রজন্ম গঠনে ক্রীড়াচর্চার কোনো বিকল্প নেই। তরুণদের মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে খেলাধুলার প্রসার জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন বিশিষ্ট সমাজসেবক ও ক্রীড়ানুরাগী আলহাজ কবীর আহমেদ ভূঁইয়া।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার দরুইনস্থ বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোস্তফা কামাল মাঠে অনুষ্ঠিত কবীর আহমেদ ভূঁইয়া ডাবল মোটরসাইকেল ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
কবীর আহমেদ ভূঁইয়া বলেন খেলাধুলা যুবসমাজকে মাদক, সন্ত্রাস ও অপরাধ থেকে দূরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে গড়ে তুলতে খেলাধুলার প্রসার জরুরি।
তিনি আরোও বলেন কসবা ও আখাউড়া উপজেলায় পৃথক দুটি মিনি স্টেডিয়াম অনুমোদনের উদ্যোগ বাস্তবায়িত হওয়ায় আমি বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। পাশাপাশি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ১০১টি ইউনিয়নে একটি করে খেলার মাঠ নির্মাণের লক্ষ্যে আবেদন করা হয়েছে।”
তিনি ভবিষ্যতেও এ ধরনের ক্রীড়া আয়োজন অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন এবং সুশৃঙ্খলভাবে খেলা উপভোগ করায় উপস্থিত দর্শকদের ধন্যবাদ জানান।
ফাইনাল খেলায় আরোও আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য নাদিয়া পাঠান পাপন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক বেলাল উদ্দিন সরকার তুহিন, কসবা উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট ফখরুদ্দিন আহমদ খান (পি.পি.), আখাউড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ডা. খোরশেদ আলম, কসবা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরিফুল হক স্বপন, আখাউড়া পৌরসভা বিএনপির সভাপতি মো. সেলিম ভূঁইয়া, সাধারণ সম্পাদক মো. আখতার খান, কসবা পৌরসভা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আইয়ুম খান এবং বিজয়নগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. মহসিন ভূঁইয়া।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন কবীর আহমেদ ভূঁইয়ার পিতা, বিশিষ্ট ক্রীড়াপ্রেমী ও সমাজসেবক আলহাজ মোহাম্মদ ফজলুর রহমান ভূঁইয়া, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, ক্রীড়া সংগঠক এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
খেলা শেষে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ দলের মধ্যে একটি করে মোটরসাইকেল পুরস্কার হিসেবে বিতরণ করা হয়। এ সময় অতিথিরা বিজয়ী ও রানার্সআপ দলের খেলোয়াড়দের অভিনন্দন জানান এবং ক্রীড়াচর্চার ধারাবাহিকতা বজায় রাখার আহ্বান জানান।
স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের মতে, এ ধরনের ব্যতিক্রমধর্মী আয়োজন তরুণদের খেলাধুলার প্রতি আরও উৎসাহিত করবে এবং সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
কুশল/সাএ