বাংলাদেশে এই প্রথম পেঁয়াজ কাটার মেশিন তৈরি করেছে হোসেন ইঞ্জিনিয়ারিং। এই মেশিন দিয়ে ঘণ্টায় প্রায় ৪০ থেকে ৫০ মণ পেঁয়াজ কাটা যাবে। এই পেঁয়াজ কাটার মেশিনের মাধ্যমে কৃষকের উৎপাদন খরচ অনেকটাই কমে যাবে।
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহযোগিতায় রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার মৈশালা বাজারের হোসেন ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপে তৈরি করা হয়েছে ‘বারি পেঁয়াজের গাছ কাটার মেশিন’।
সোমবার দুপুরে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের কাছে মেশিনটি হস্তান্তর করেন হোসেন ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপের মালিক হোসেন আলী বিশ্বাস।
এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ এরশাদুল হক এবং উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তোফাজ্জল হোসেন সহ মেশিন তৈরির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ। পরে মেশিনটি উপজেলার কৃষক মোজাম্মেলের কাছে ১ লাখ ৭০ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়।
হোসেন ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপের মালিক হোসেন আলী বিশ্বাস বলেন, “আমার ওয়ার্কশপে বিভিন্ন কৃষি যন্ত্রপাতি উৎপাদন করে থাকি। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহযোগিতায় এই পেঁয়াজ কাটা মেশিন তৈরি করেছি যা কৃষকদের অনেক উপকারে আসবে।”
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ এরশাদুল হক বলেন, “বিগত সাত বছর যাবৎ গবেষণা চালিয়ে আমরা এই পেঁয়াজের গাছ কাটার মেশিন তৈরি করেছি হোসেন ইঞ্জিনিয়ারিং এর মাধ্যমে। মেশিনটি ডিজেল এবং ইলেকট্রিকের সাহায্যে চলবে।”
পাংশা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তোফাজ্জল হোসেন বলেন, “পাংশা উপজেলায় এ বছর ১০ হাজার ৮০০ হেক্টর জমিতে হালি পেঁয়াজ উৎপাদন হয়েছে যা অন্য বছরের তুলনায় অনেক বেশি। কৃষক পেঁয়াজ উৎপাদনের পর পেঁয়াজের গাছ কাটা নিয়ে বিপাকে পড়ে। বাংলাদেশে প্রথম হোসেন ইঞ্জিনিয়ারিং পেঁয়াজের গাছ কাটার যে মেশিন তৈরি করেছে, এটার মাধ্যমে কৃষক অল্প সময়ে ও কম খরচে পেঁয়াজ কেটে ঘরে তুলতে পারবে।”
কুশল/সাএ
