উপজেলার কাঞ্চননগর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কালাপানি এলাকায় লাকি আক্তার (৩৮) নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
আজ শনিবার সকাল ১১টার দিকে মেয়ের শ্বশুরবাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, মেয়ের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে যাওয়া লাকি আক্তার বেয়াই কর্তৃক ধর্ষণের শিকার হন। পরে তাকে শ্বাসরোদ্ধ করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় অভিযুক্ত নিহতের বেয়াই নুরুচ্ছাপাকে আটক করেছে ফটিকছড়ি থানা পুলিশ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার পর পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হলে অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এ সময় সে ধর্ষণ ও হত্যার বিষয়টি স্বীকার করেছে বলে দাবি করেন বাড়ির সর্দার মোহাম্মদ ইউনুস। তিনি বলেন, “এমন নৃশংস ঘটনা এলাকায় কখনও ঘটেনি। দোষীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত।”
নিহতের পিতা আবুল বশর কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমার মেয়েকে ধর্ষণ করে হত্যা করা হয়েছে। আমি প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু বিচার চাই। খুনির সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।”
ফটিকছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) রফিকুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য পাঠিয়েছে।
তিনি বলেন, “ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে একজনকে আটক করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট ও তদন্তেন ভিত্তিতে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”