চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার ১০নং আহলা করলডেঙ্গা ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের গৃহীত উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। আহ্লা (ধলঘাট) গ্রামে হারগাজী খাল পানির স্রোতে বিলীন হয়ে যাওয়া ভাঙন রোধে তীর সংরক্ষণ জিও ব্যাগ ও রাস্তার উন্নয়নের কাজ গত বৃহস্পতিবার সকালে পরিদর্শনে আসেন প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা, চেয়ারম্যান হামিদুল হক মান্নান ও ইউপি সদস্য হারুনুর রশীদ চৌধুরী অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।
গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ প্রকল্পের শতভাগ বাস্তবায়নের ফলে বদলে গেছে সার্বিক চিত্র। দীর্ঘদিনের কাঁচা রাস্তাগুলো এখন ইটের সোলিং ও খাল ভাঙন রোধে তীর সংরক্ষণ সাধারণ মানুষের মুখে ফুটেছে স্বস্তির হাসি। ৯নং ওয়ার্ডে অবস্থিত আহলা শ্রী শ্রী জয়কালী বিগ্রহ মন্দির থেকে লোকনাথ মন্দির পর্যন্ত প্রায়ই হাফ কিলোমিটার ১০ ফুট পাকা রাস্তা ও ২১০ মিটার খাল ভাঙ্গন রোধে তীর সংরক্ষণ কাজ শুরু হয়েছে ফেব্রুয়ারি মাসে সম্পন্ন হয় ৪ জুন ২০২৬। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হওয়ায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে এলাকার উৎপল দাশ বলেন, “বৃষ্টির দিনে বাড়ির সামনের রাস্তায় হাঁটু সমান কাদা হতো। চলাচলের খুব কষ্ট ছিল। চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্য চলমান কাজ সব সময় তদারকি করায় এখন আমরা শান্তিতে চলাচল করতে পারছি। আমাদের ভোগান্তি শেষ হয়েছে।”
স্থানীয়দের দাবি ছিলো, কয়েক বছর ধরে খাল ভাঙনে ঘরবাড়ি, ফসলি জমি ও রাস্তা বিলীন হয়ে যাচ্ছিল। এবার তীর সংরক্ষণ ও রাস্তার উন্নয়ন কাজের ফলে এলাকার মানুষ ভাঙনের ভয় কাটিয়ে স্বত্বি ফিরে পেয়েছে। “আগে এই রাস্তায় কোনো ভ্যান-রিকশা সিএনজি আসতে চাইত না। রাস্তাটি সংস্কার হওয়ার পর এখন খুব সহজেই ছেলে-মেয়েরা স্কুলে যেতে পারছে এবং আমরা প্রয়োজনে দ্রুত হাসপাতালে যেতে পারছি। রাস্তা করে দেওযায় এলাকার চেহারাটাই এখন সুন্দর হয়ে গেছে।”
চেয়ারম্যান হামিদুল হক মান্নান বলেন, “আমরা জনগণের প্রতিনিধি, কোথায় কি কি প্রয়োজন তা মাথায় রেখে কাজ করার চেষ্টা করেছি। প্রতিটি কাজের মান নিশ্চিত করতে আমরা নিয়মিত তদারকি করেছি। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সুষ্ঠুভাবে সব কাজ শেষ করতে পেরে আমরা আনন্দিত।”
/ এনইউআ