ঢাকা: বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার শিবগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে ‘শিবগঞ্জ মীর শাহে আলম পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়’ করার প্রস্তাব শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জমা পড়েছে। প্রস্তাবটি পাওয়ার পর বিষয়টি যাচাই-বাছাইয়ের উদ্যোগ নিয়েছে মন্ত্রণালয়।
১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়টির নাম পরিবর্তনের আবেদন সম্প্রতি মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের বেসরকারি মাধ্যমিক-১ শাখায় জমা দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব শিরিন আক্তার স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বগুড়ার জেলা প্রশাসক এবং রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানকে বিদ্যালয়টি সরেজমিনে পরিদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে নাম পরিবর্তনের যৌক্তিকতা ও প্রয়োজনীয়তা যাচাই করে সুপারিশসহ পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে বলা হয়েছে।
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, জেলা প্রশাসন ও শিক্ষা বোর্ড বর্তমানে প্রস্তাবটি পর্যালোচনা করছে। তাদের প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তনের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এর আগে, গত ১১ জুন বগুড়ার শিবগঞ্জ ও নবগঠিত মোকামতলা উপজেলার চারটি নতুন ইউনিয়নের নামকরণ নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। জেলা প্রশাসনের প্রজ্ঞাপনে ইউনিয়নগুলোর নাম রাখা হয় মীরবাড়ী, সীমান্ত, দিগন্ত ও স্বর্ণগ্রাম।
স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, এসব নামের সঙ্গে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের পারিবারিক সম্পর্ক রয়েছে। তবে এ অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করে আসছেন প্রতিমন্ত্রী।
জাতীয় সংসদে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, প্রশাসনিক প্রক্রিয়া ও স্থানীয় জনগণের মতামতের ভিত্তিতেই ইউনিয়নগুলোর নামকরণ করা হয়েছে। তিনি আরও দাবি করেন, তার সন্তানদের নামে কোনো ইউনিয়নের নাম রাখা হয়নি। বিষয়টিকে তিনি ‘কাকতালীয়’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।