ময়মনসিংহের নান্দাইলে বাকপ্রতিবন্ধী সৎ মেয়েকে (১৬) একাধিকবার নিজ ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে সৎ বাবার বিরুদ্ধে।
লোকলজ্জার ভয়ে এ ঘটনা এতদিন চেপে গিয়েছিলেন মা। কিন্তু মেয়ের শারীরিক লক্ষণে ও ডাক্তারী পরীক্ষার পর অন্তঃসত্ত্বা ধরা পড়লে স্বামী এ ঘটনা করেছে বলে স্ত্রী প্রকাশ করে দেয়।
পরে শুক্রবার (৩ এপ্রিল) এলাকাবাসী ধরে পুলিশের খবর দেয়। পুলিশ জনতার হাত থেকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। এমন ঘটনা ঘটেছে ময়মনসিংহের খারুয়া ইউনিয়নের আব্দুল্লাহপুর গ্রামে।
স্থানীয় সূত্র পুলিশ জানায়, ওই গ্রামের মৃত ইসলাম মিয়ার ছেলে আবদুল হেকিম প্রায় 8 বছর আগে তৃতীয় বিয়ে করে উপজেলার মোয়াজ্জেমপুর ইউনিয়নের কামালপুর গ্রামের এক বিধবাকে।
তার ঘরে রয়েছে বাকপ্রতিবন্ধী এক কন্যাসন্তান। ওই কন্যাসন্তানকে নিয়েই নতুন স্বামীর ঘরে আসে ওই নারী। কিছুদিন যেতে না যেতেই নারীর স্বামী বাকপ্রতিবন্ধী কন্যাকে বিভিন্নভাবে যৌন হয়রানি করে আসে। ঘটনায় বাধা দিলে তালাক দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয় বলে ওই নারী জানান।
এ ছাড়াও বেশ কিছুদিন ধরে তার মেয়েকে বিভিন্ন সময় শারীরিকভাবে যৌন নিপীড়ন করে। ঘটনাটি ধরা পড়লে আর করবে না বলে ক্ষমা চায়। এরমধ্যে কত কয়েক দিন ধরে মেয়ের শারীরিক অবস্থা খারাপের দিকে যেতে থাকে। পরে হাসপাতালে নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর জানা যায় মেয়ে অন্তঃসত্ত্বা। একপর্যায়ে বাধ্য হয়ে এলাকার লোক জনপ্রতিবেশীর কাছে নিজের স্বামীর ঘটনা বলে দেন।
ঘটনার পর ধর্ষক বাবা আব্দুল হেকিমকে ধরে পুলিশে তুলে দেয় জনতা। এ বিষয়ে জানতে চাইলে নান্দাইল থানার উপ-পরিদর্শক মামুন মিয়া জানান, বাকপ্রতিবন্ধী মেয়েটিও ইশারায় তার এই অবস্থার জন্য সৎ বাবাকে দায়ী করে। ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
