দেশের চলমান পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনায় সরকারি চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা বৃদ্ধি করার দাবিতে সরকারকে ১২ এপ্রিল পর্যন্ত আলটিমেটাম দিয়েছে চাকরিপ্রত্যাশী সাধারণ শিক্ষার্থীরা। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবি বাস্তবায়ন না হলে সারা দেশে কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা।
শনিবার (৪ এপ্রিল) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন চাকরিপ্রত্যাশী শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি শরিফুল হাসান শুভ।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, সাম্প্রতিক বিভিন্ন অস্থিরতা, সেশনজট ও অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির কারণে বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী নির্ধারিত সময়ে শিক্ষাজীবন শেষ করতে পারেনি। ফলে তারা সরকারি চাকরিতে আবেদন করার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে, যা অন্যায় ও বৈষম্যমূলক।
তিনি আরও জানান, গত ১২ বছর ধরে চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা বৃদ্ধির দাবিতে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন চালিয়ে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলও এ দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়েছে। সরকারের সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে একাধিকবার আলোচনা হলেও এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি হয়নি।
শরিফুল হাসান শুভ বলেন, বারবার আশ্বাস পেলেও বাস্তবায়ন না হওয়ায় শিক্ষার্থীরা হতাশ। আন্দোলনে অংশ নিতে গিয়ে অনেকেই হয়রানি, মামলা ও হামলার শিকার হয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীরা দাবি জানান, ক্ষতিগ্রস্তদের কথা বিবেচনায় সরকারি চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা অস্থায়ীভাবে সর্বনিম্ন ৩৭ থেকে ৪০ বছর এবং স্থায়ীভাবে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী সর্বনিম্ন ৩৫ বছর নির্ধারণ করতে হবে।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এ দাবি বাস্তবায়ন না হলে সারা দেশের চাকরিপ্রত্যাশী শিক্ষার্থীদের নিয়ে কঠোর আন্দোলনে নামার ঘোষণা দেন তারা।
