শেরপুরে ক্রয়কৃত জমি ২০ বছর পর জোরপূর্বক জবরদখলের চেষ্টা ও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানীর অভিযোগ উঠেছে আফাজ উদ্দিনের বিরুদ্ধে।
সদর উপজেলার বাজিতখিলা ইউনিয়নের কুমরী গ্রামের বাসিন্দা মো: আফাজ উদ্দিনের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ তোলেন ভুক্তভোগী কৃষক মো: হাতেম আলী।
ভুক্তভোগী হাতেম আলী বলেন, ২০০৪ সালে জমির প্রকৃত মালিক মোছা: মোস্তফা খাতুনের কাছ থেকে বিআরএস (৩৪৪০)রেকর্ড মূলে আমি নিজে ২৫ শতাংশ জমি ক্রয় করি ও আমার চাচাত ভাই তোতা মিয়া ২৫ শতাংশ মোট ৫০ শতাংশ জমি ক্রয় করে তা উভয়ের নামে রেজিস্ট্রী (৮০৪৩) করা হয়। সর্বশেষ ওই জমি ২০২৬ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি তারিখে ৩৪৪০ নং দাগে মোট ৫০ শতাংশ জমির ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করে আসছি। হঠাত করেই দীর্ঘদিন পর প্রায়ই ২০ বছর পর আফাজ উদ্দিন ওই জমির উপর মালিকানা দাবি করে তা দখলের চেষ্টা করছে এবং উল্টো আফাাজ উদ্দিন নিজেই আমাদের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করছে। ( যার জিডি নং ৪৭৬ তাং ০৯/০৩/২৬।)
অথচ আফাজ উদ্দিন গেল ২০ বছর কোন ধরনের মালিকানা দাবি করে নাই। ” এই জমি নিয়ে আদালতে মামলা চলমান থাকা অবস্থায় আফাজ ওই জমিতে গিয়ে সেখানে কলা বাগান নষ্ট করেছে আমি এর বিচার চাই।
একই গ্রামের বাসিন্দা ও বিরোধপূর্ণ জমির মূল মালিক মৃত আনছার আলীর ছেলে ওবায়দুল ইসলাম বলেন, আফাজ উদ্দিন আরওআর রেকর্ড মূলে নজরুল ইসলাম ও ফজলুল হকের কাছ থেকে জমি কিনে দীর্ঘদিন ধরে অন্য আরেকটি জমি ভোগদখল করে আসলেও এখন দুচার বছর ধরে মোস্তফা খাতুনের জমি তার নামে বিআরএস রেকর্ডভুক্ত বলে নিজের দাবি করেছেন। তার দাবি সত্য নয় বলেও জানান ওবায়দুল ইসলাম।
অন্যদিকে আফাজ উদ্দিন ওই জমি তার নিজের দাবি করে উল্টো হাতেম ও তোতা মিয়ার নামে মামলা দায়ের করেছেন বলে জানান।
এবিষয়ে আফাজ উদ্দিন বলেন, ওই জমির মালিক আমি। ১৯৮৮ সালে জমির মালিক নজরুল ও ফজলুল হকের কাছ থেকে জমি কিনে দীর্ঘ দিন ধরে দখলে আছি। ওদের দাবি মিথ্যা। আদালতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে।